ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২১
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
জহির, ওবায়েদ, মিজান সমঝোতার ভিত্তিতে একটি বুটিক হাউজ প্রতিষ্ঠা করেন। পণ্যের মান ভালো হওয়ায় ব্যবসায়ের পরিধি বাড়তে থাকে। ব্যবসায় পরিচালনার সুবিধার্থে এমবিএ ডিগ্রীধারী মি. সুমনকে বিনা মূলধনে প্রতিষ্ঠানে অংশীদার করা হয়। মি. সুমন দক্ষতার সাথে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে থাকে। কিন্তু আকস্মিক দুর্ঘটনায় মি. সুমন মৃত্যুবরণ করেন।
- ক)(1)
প্রতিবদ্ধ অংশীদার কে?
- খ)(2)
অংশীদার ব্যবসায়ে পৃথক সত্তা থাকে না কেন? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকের মি. সুমন কোন ধরনের অংশীদার? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির কোন ধরনের পরিসমাপ্তি হতে পারে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যদি কোনো ব্যক্তি ব্যবসায়ের অংশীদার না হয়েও নিজেকে অংশীদার বলে প্রচার করে অথবা অন্য কেউ তাকে অংশীদার হিসেবে পরিচয় দিলে তা নীরবে মেনে নেয়, তবে তাকে প্রতিবন্ধ বা প্রতিবদ্ধ অংশীদার বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আইনগতভাবে অংশীদারি কারবারের সদস্যদের থেকে পৃথক কোনো স্বতন্ত্র কৃত্রিম সত্তা থাকে না। অংশীদারি কারবার তার অংশীদারদের সমষ্টিমাত্র; ফলে প্রতিষ্ঠানটির যাবতীয় দায়, অধিকার ও কাজ সরাসরি অংশীদারদের ব্যক্তিগত দায় ও অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়। অংশীদারদের অস্তিত্ব বিলীন হলে বা পরিবর্তন ঘটলে কারবারের অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়ে, বিধায় এতে পৃথক আইনগত সত্তা থাকে না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের মি. সুমন একজন 'কর্মী অংশীদার' (Working Partner)।
যে অংশীদার কারবারে কোনো মূলধন বিনিয়োগ করে না, কিন্তু নিজের দক্ষতা, যোগ্যতা ও শ্রমের মাধ্যমে কারবার পরিচালনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেয় এবং চুক্তি অনুযায়ী মুনাফার অংশ বা পারিশ্রমিক ভোগ করে, তাকে কর্মী অংশীদার বলে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, এমবিএ ডিগ্রিধারী মি. সুমন কোনো মূলধন বিনিয়োগ না করেই প্রতিষ্ঠানে অংশীদার হন এবং দক্ষতার সাথে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে থাকেন। মূলধন ছাড়া কেবল মেধা ও শ্রম দিয়ে ব্যবসায় পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ায় তিনি কর্মী অংশীদারের মর্যাদা পান।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির অংশীদারদের চুক্তি বা সমঝোতার শর্তের ওপর ভিত্তি করে 'বিশেষ ঘটনা সাপেক্ষে বিলোপসাধন' অথবা সদস্যদের ঐক্যমতের ভিত্তিতে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখার অবকাশ থাকলেও কার্যত বিশেষ ঘটনার প্রেক্ষিতে বিলোপ ঘটতে পারে।
১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের ৩৫ ধারা অনুযায়ী, কোনো অংশীদারের মৃত্যু ঘটলে অংশীদারি কারবারের বিলোপ ঘটে, যদি না চুক্তিতে এর বিপরীত কোনো সুস্পষ্ট শর্ত থাকে।
উদ্দীপকে জহির, ওবায়েদ ও মিজানের পাশাপাশি মি. সুমন একজন অংশীদার ছিলেন। মি. সুমনের আকস্মিক মৃত্যুর ফলে সাধারণ নিয়মে কারবারটির পরিসমাপ্তি ঘটার সম্ভাবনা দেখা দেয়। তবে যদি তাদের মূল সমঝোতা বা চুক্তিতে কোনো অংশীদারের মৃত্যুর পরও অবশিষ্ট অংশীদারদের দ্বারা ব্যবসায় চালু রাখার বিধান থেকে থাকে, তবে তারা কারবারটি পুনর্গঠন করে চালিয়ে যেতে পারবেন। কিন্তু তেমন কোনো বিপরীত চুক্তি না থাকলে আইন অনুযায়ী মি. সুমনের মৃত্যুর কারণে এটি 'বিশেষ ঘটনা সাপেক্ষে বাধ্যতামূলক বিলোপসাধন'-এর আওতায় বিলুপ্ত হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও