‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • সরকার কাঠামো ও সরকারের অঙ্গসমূহ • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন বলেছেন-"গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের কল্যাণের জন্য, জনগণের দ্বারা পরিচালিত, জনপ্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থা।"

  1. ক)

    কারা অনাস্থা প্রকাশ করলে মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করবে?

    (1)
  2. খ)

    প্রজাতন্ত্র বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে আলোচিত সরকার ব্যবস্থাকে সফল করতে হলে কোন বিষয়সমূহ আবশ্যক বলে তুমি মনে কর?

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত ব্যবস্থার সাথে একনায়কতন্ত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় আইনসভার (বা সংসদের) সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য অনাস্থা প্রকাশ করলে মন্ত্রিসভাকে পদত্যাগ করতে হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তি বা রাষ্ট্রপ্রধান উত্তরাধিকারসূত্রে ক্ষমতা লাভ না করে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হন, তাকে প্রজাতন্ত্র (Republic) বলে। প্রজাতন্ত্রে কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের বংশানুক্রমিক শাসন থাকে না; এখানে রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতার মূল মালিক জনগণ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে আব্রাহাম লিংকনের বক্তব্যের মাধ্যমে 'গণতন্ত্র' বা গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
    গণতন্ত্রকে সফল ও কার্যকর করতে হলে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ আবশ্যক:
    ১. সচেতন ও শিক্ষিত নাগরিক: জনগণের সচেতনতা এবং শিক্ষার প্রসার গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি।
    ২. সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা: অন্যের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান জানানো এবং বিরোধীদের প্রতি সহনশীল হওয়া প্রয়োজন।
    ৩. আইনের শাসন: আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান এবং আইনের প্রাধান্য নিশ্চিত করা আবশ্যক।
    ৪. সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থা: অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান শর্ত।
    ৫. স্বাধীন বিচার বিভাগ: জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং সরকারের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ অপরিহার্য।
    ৬. দক্ষ ও শক্তিশালী বিরোধী দল: সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে কার্যকর বিরোধী দলের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে আলোচিত ব্যবস্থাটি হলো 'গণতন্ত্র'। নিচে গণতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্রের তুলনামূলক আলোচনা করা হলো:
    ১. ক্ষমতার উৎস: গণতন্ত্রে ক্ষমতার উৎস জনগণ। কিন্তু একনায়কতন্ত্রে এক ব্যক্তি বা দলের হাতে সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকে এবং জনগণের ইচ্ছার কোনো মূল্য থাকে না।
    ২. ব্যক্তি স্বাধীনতা: গণতন্ত্রে জনগণের বাকস্বাধীনতা, চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত থাকে। অন্যদিকে, একনায়কতন্ত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা হরণ করা হয় এবং সরকারের সমালোচকদের কঠোর হস্তে দমন করা হয়।
    ৩. রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা: গণতন্ত্রে বহুদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকে এবং বিরোধী দলকে সম্মান করা হয়। কিন্তু একনায়কতন্ত্রে কেবল একটিমাত্র সরকারি দল থাকে, কোনো বিরোধী দলের অস্তিত্ব সহ্য করা হয় না।
    ৪. জবাবদিহিতা: গণতান্ত্রিক সরকার তাদের সকল কাজের জন্য জনগণের কাছে এবং আইনসভার কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। একনায়কতান্ত্রিক শাসক কারও কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে না।
    ৫. আইনের শাসন: গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় আইনের শাসনের ওপর, কিন্তু একনায়কতন্ত্রে শাসকের ইচ্ছাই আইন হিসেবে গণ্য হয়।
    অতএব, গণতন্ত্র যেখানে জনগণের কল্যাণ, স্বাধীনতা ও সাম্যের প্রতীক, সেখানে একনায়কতন্ত্র হলো বলপ্রয়োগ, দমন-পীড়ন ও স্বেচ্ছাচারিতার নামান্তর।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন