ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২২
ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং প্রশ্ন
সৌদি আরবে কর্মরত তানজিল তার উপার্জিত অর্থ সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে প্রেরণ করেন। ৫ বছর পুর দেশে ফিরে প্রেরিত' অর্থ দ্বারা একটি ধান মাড়াই মেশিন ক্রয় করে ব্যবসায় শুরু করেন।
- ক)(1)
সরকারি অর্থায়নের মূল লুক্ষ্য কী?
- খ)(2)
ব্যবসায়ের ঝুঁকি বণ্টন হয় কোন নীতিতে? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
তানজিলের অর্থায়ন কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
তানজিলের পাঠানো অর্থ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আয় ও প্রবৃদ্ধিতে কী ভূমিকা রাখবে? মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
সরকারি অর্থায়নের মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণ নিশ্চিত করা ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানো।
- খ)
ঝুঁকি বণ্টন হয় ডাইভার্সিফিকেশন বা বহুমুখীকরণ (Diversification) নীতিতে, যা 'সব ডিম এক ঝুড়িতে না রাখা' নীতি নামেও পরিচিত। এ নীতিতে বিনিয়োগকারী সমস্ত অর্থ একটিমাত্র খাতে না লাগিয়ে বিভিন্ন খাতে বা সম্পদে ভাগ করে বিনিয়োগ করেন। ফলে একটি খাতে ক্ষতি হলেও অন্য খাতের লাভ দিয়ে তা পুষিয়ে নেওয়া যায় এবং মোট ঝুঁকি কমে।
- গ)
তানজিলের অর্থায়ন ব্যক্তিগত অর্থায়ন (Personal Finance)।
তানজিল সৌদি আরবে কাজ করে উপার্জিত অর্থ ব্যাংকিং বা সরকারি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে পাঠান। এ উপার্জন তার নিজস্ব আয় এবং ব্যক্তিগত সঞ্চয় ও বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের সাথে জড়িত। পরে তিনি সেই জমানো অর্থ দিয়ে ধান মাড়াই মেশিন কিনে ব্যবসা শুরু করেন, যা ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বিনিয়োগ। তাই এটি ব্যক্তিগত অর্থায়ন।
- ঘ)
তানজিলের পাঠানো অর্থ রেমিট্যান্স (Remittance), যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১. আয় বৃদ্ধি: রেমিট্যান্সের অর্থে পরিবারের আয় ও ভোগ বাড়ে, ফলে জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।
২. বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান: তানজিল এ অর্থে ধান মাড়াই মেশিন কিনে ব্যবসা শুরু করেছেন। এতে স্থানীয় কৃষকদের সেবা মেলে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
৩. বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন: সরকারি ব্যবস্থাপনায় অর্থ আসায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ে এবং আমদানি ব্যয় মেটানো সহজ হয়।সুতরাং, তানজিলের মতো প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশের মোট আয় ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও