ভূগোল এবং পরিবেশ • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৬
ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন
স্থান | দ্রাঘিমা | গোলার্ধ
P | ২০° পূর্ব | উত্তর
Q | ৫০° পূর্ব | দক্ষিণ
- ক)(1)
মানচিত্র কাকে বলে?
- খ)(2)
শ্রেণিকক্ষে কোন প্রকারের মানচিত্র ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
'P' স্থানে যখন সকাল ৮টা, তখন 'Q' স্থানের স্থানীয় সময় কত হবে?
- ঘ)(4)
পৃথিবীর পরিক্রমণকালে 'P' ও 'Q' স্থানে কি ঋতুর কোনো পার্থক্য হবে? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
পৃথিবী বা এর কোনো অংশের নির্দিষ্ট স্কেলে সমতল ক্ষেত্রের ওপর অঙ্কিত প্রতিরূপকে মানচিত্র বলে।
- খ)
শ্রেণিকক্ষে দেয়াল মানচিত্র (Wall map) ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের মানচিত্রে সারা বিশ্ব, কোনো গোলার্ধ, মহাদেশ বা দেশ বড় আকারে দেখানো হয়, যাতে শ্রেণিকক্ষের সবাই দূর থেকে স্পষ্ট দেখতে পারে। এর স্কেল ভূসংস্থানিক মানচিত্রের চেয়ে ছোট, কিন্তু ভূচিত্রাবলি মানচিত্রের চেয়ে বড়। তাই পাঠদানের জন্য এটি সবচেয়ে উপযোগী।
- গ)
P ও Q উভয় স্থানই পূর্ব দ্রাঘিমায়।
দ্রাঘিমার ব্যবধান = ৫০° − ২০° = ৩০°
সময়ের ব্যবধান = ৩০ × ৪ মিনিট = ১২০ মিনিট = ২ ঘণ্টাQ স্থানটি P-এর পূর্বে অবস্থিত, তাই Q-এর সময় P-এর চেয়ে ২ ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে।
Q-এর স্থানীয় সময় = ৮টা + ২ ঘণ্টা = সকাল ১০টা।
- ঘ)
হ্যাঁ, P ও Q স্থানে ঋতুর পার্থক্য হবে। কারণ P উত্তর গোলার্ধে এবং Q দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
১. ঋতু নির্ভর করে গোলার্ধের ওপর, দ্রাঘিমার ওপর নয়: পৃথিবীর বার্ষিক গতির সময় অক্ষের হেলানোর কারণে সূর্যরশ্মি কখনো উত্তর গোলার্ধে, কখনো দক্ষিণ গোলার্ধে লম্বভাবে পড়ে। দ্রাঘিমা (২০° পূর্ব বা ৫০° পূর্ব) ঋতু নির্ধারণ করে না।
২. বিপরীত ঋতু: ২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, তখন উত্তর গোলার্ধের P-তে গ্রীষ্মকাল ও দিন বড়; আর দক্ষিণ গোলার্ধের Q-তে শীতকাল ও দিন ছোট।
৩. ২২ ডিসেম্বর: সূর্য মকরক্রান্তি রেখার ওপর লম্ব কিরণ দেয়, তখন Q-তে গ্রীষ্ম ও P-তে শীতকাল হয়।সুতরাং, দুটি স্থান ভিন্ন গোলার্ধে থাকায় একই সময়ে P ও Q-তে বিপরীত ঋতু বিরাজ করবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও