বিজ্ঞান • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

বিজ্ঞান প্রশ্ন

  1. ক)

    হার্টবিট কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    Rh ফ্যাক্টর কী? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    চিত্র-১ এর 'A' ও 'B' চিহ্নিত অংশের উপাদান দুটির পার্থক্য লেখো।

    (3)
  4. ঘ)

    ২ নং চিত্রটি ভালো রাখার উপায় বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    হৃৎপিণ্ডের একবার সংকোচন (সিস্টোল) ও একবার প্রসারণ (ডায়াস্টোল)-কে একত্রে হৃৎস্পন্দন বা হার্টবিট বলে।

  2. খ)

    Rh ফ্যাক্টর বা রেসাস ফ্যাক্টর হলো লোহিত রক্তকণিকার গায়ে থাকা এক ধরনের অ্যান্টিজেন। যার রক্তে এই ফ্যাক্টর থাকে তার রক্তকে Rh পজিটিভ এবং না থাকলে Rh নেগেটিভ বলা হয়। রক্ত দেওয়ার সময় ABO গ্রুপের পাশাপাশি Rh ফ্যাক্টরও মিলিয়ে দেখতে হয়। না মেলালে গ্রহীতা আরও অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। নেগেটিভ গ্রুপের রক্ত পজিটিভ গ্রুপকে দেওয়া যায়, কিন্তু পজিটিভ গ্রুপের রক্ত নেগেটিভ গ্রুপকে দেওয়া যায় না।

  3. ঘ)

    ২ নং চিত্রটি হলো হৃৎপিণ্ড। হৃৎপিণ্ড সারা জীবন অবিরাম পাম্পের মতো কাজ করে রক্ত সঞ্চালন করে, তাই এটিকে সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।

    ১. খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত তেল, চর্বি ও কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। কারণ করোনারি ধমনিতে চর্বি জমলে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। শাকসবজি, ফলমূল ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে এবং লবণ কম খেতে হবে।
    ২. নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম হৃৎপেশিকে সবল রাখে এবং স্থূলতা কমায়।
    ৩. বদভ্যাস বর্জন: ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য পরিহার করতে হবে।
    ৪. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও মানসিক চাপ কমানো: আদর্শ রক্তচাপ প্রায় 120/80 mmHg বজায় রাখতে হবে। দুশ্চিন্তা এড়িয়ে পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিতে হবে।
    ৫. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে।

    সুতরাং, সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম ও সুস্থ জীবনযাপনের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন