অর্থনীতি ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৩

অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

বসত বাড়ির পাশে সালিহা ঘরে উৎপাদিত সুতা ও বাজার থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। এই প্রতিষ্ঠানে তিনি ৮ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন এবং ১০ জন শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি পণ্যের বিপণন সমস্যা, দক্ষ শ্রমিকের অভাব, কাঁচামালের উচ্চমূল্য ইত্যাদি কারণে লাভজনকভাবে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে পারছেন না।

  1. ক)

    ক্ষুদ্র শিল্প কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    কৃষি কিভাবে শিল্পকে সহায়তা করে?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন ধরনের শিল্পের উল্লেখ করা হয়েছে ? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যার সমাধানে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে? বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উৎপাদনমুখী শিল্পের ক্ষেত্রে জমি ও কারখানা ভবন ছাড়া স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৭৫ লাখ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যে শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩১ থেকে ১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত থাকে, তাকে ক্ষুদ্র শিল্প বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কৃষি খাত শিল্প খাতের অন্যতম প্রধান সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। কৃষি সরাসরি শিল্প কারখানার প্রয়োজনীয় কাঁচামাল (যেমন: পাট, তুলা, আখ, চা, চামড়া ইত্যাদি) সরবরাহ করে। এছাড়া শিল্পপণ্যের জন্য একটি বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার তৈরি করে এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের বিকাশে সরাসরি ভূমিকা রাখে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'কুটির শিল্প' (বা অতি ক্ষুদ্র/মাইক্রো শিল্প)-এর বৈশিষ্ট্য সম্বলিত শিল্পের উল্লেখ করা হয়েছে।

    সাধারণত বসতবাড়ির আঙিনায় স্বল্প পুঁজি এবং অল্প সংখ্যক শ্রমিক (প্রধানত পরিবারের সদস্য বা সীমিত মজুরিভিত্তিক শ্রমিক) নিয়ে হস্তচালিত বা হালকা যন্ত্রপাতির সাহায্যে পরিচালিত শিল্প প্রতিষ্ঠানকে কুটির শিল্প বলা হয়।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, সালিহা বসতবাড়ির পাশে ঘরে উৎপাদিত সুতা ও বাজার থেকে সংগৃহীত কাঁচামাল নিয়ে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। এতে তিনি মাত্র ৮ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন এবং ১০ জন শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছেন। বিনিয়োগের স্বল্প আকার (১০ লাখ টাকার নিচে) এবং বসতবাড়ির সাথে সম্পৃক্ততার কারণে এটি সুস্পষ্টভাবে একটি কুটির বা মাইক্রো শিল্পের দৃষ্টান্ত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে সালিহার প্রতিষ্ঠানটি পণ্যের বিপণন সমস্যা, দক্ষ শ্রমিকের অভাব এবং কাঁচামালের উচ্চমূল্যের কারণে সংকটের মুখে পড়েছে। এ সমস্যাগুলো সমাধানে নিম্নরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে:

    ১. বিপণন সুবিধা তৈরি: মধ্যস্বত্বভোগীদের পরিহার করে সরাসরি বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন, সরকারি মেলা বা প্রদর্শনীর ব্যবস্থা এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি বা ই-কমার্সের মাধ্যমে বিপণন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবে।
    ২. শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান: উৎপাদনে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা (যেমন: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, বিসিক)-এর মাধ্যমে শ্রমিকদের কারিগরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা প্রয়োজন।
    ৩. সুলভ মূল্যে কাঁচামাল সরবরাহ: সমবায় ভিত্তিতে বা সরাসরি উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে পাইকারি দরে কাঁচামাল সংগ্রহের ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
    ৪. স্বল্প সুদে ঋণ ও সরকারি সহায়তা: কার্যকরী মূলধন ও প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য এসএমই (SME) ফাউন্ডেশন বা ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে স্বল্প সুদের ঋণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

    উপর্যুক্ত পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়ন করলে প্রতিষ্ঠানটি কাঁচামাল ও দক্ষতার সংকট কাটিয়ে লাভজনকভাবে পরিচালিত হতে সক্ষম হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন