DU • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ ইউনিট (ব্যবসায় শিক্ষা) ভর্তি পরীক্ষা ২০২৪-২০২৫
প্রশ্ন ও সমাধান
Accounting
(1.1) কোন ধারণাটি নির্দেশ করে যে আয় স্বীকৃত হয় যখন এটি অর্জিত হয়, নগদ প্রাপ্তির সময় নয়?
(1.2) নগদ লভ্যাংশ প্রদান হিসাব সমীকরণে কি প্রভাব ফেলবে?
(1.3) যদি সমাপনী মজুদ কম দেখানো হয়, নিট মুনাফায় এর প্রভাব কি হবে?
(1.4) সমন্বয় দাখিলার প্রধান উদ্দেশ্য কি?
(1.5) কোন অনুপাতটি একটি কোম্পানির স্বল্পমেয়াদি দায় পরিশোধের ক্ষমতা পরিমাপ করে?
(1.6) পুঞ্জিভূত অবচয় কোন ধরণের হিসাব?
(1.7) ধারে ১০,০০০ টাকার যন্ত্রপাতি ক্রয় করে বিক্রয় হিসাবকে ক্রেডিট করা হয়েছে। এই ভুলের সংশোধনী জাবেদা কী হবে?
(1.8) জানুয়ারি ১, ২০১৮ তারিখে একটি মেশিন ক্রয় করা হয় যার অবশিষ্ট মূল্য ছিল ২০,০০০ টাকা। মেশিনটির সরলরৈখিক পদ্ধতিতে বার্ষিক অবচয় হার ৫%। ২০২২ সালে মেশিনটির উপর ৩০,০০০ টাকা অবচয় ধার্য করা হলে, মেশিনটির ক্রয়মূল্য কত ছিল?
উত্তর ও ব্যাখ্যা
(1.1) আয় স্বীকৃতি নীতি (Revenue Recognition Principle) / উপচিতি ভিত্তি (Accrual Basis) — আয় অর্জিত হলেই স্বীকৃত হয়, নগদ প্রাপ্তির সময়ে নয়।
(1.2) নগদ লভ্যাংশ প্রদানে সম্পদ (নগদান) কমে এবং মালিকানাস্বত্ব (সংরক্ষিত মুনাফা) সমপরিমাণ কমে। দায় অপরিবর্তিত থাকে; হিসাব সমীকরণ (সম্পদ = দায় + মালিকানাস্বত্ব) সমতা বজায় রাখে।
(1.3) সমাপনী মজুদ কম দেখালে বিক্রীত পণ্যের ব্যয় বেড়ে যায়, ফলে মোট ও নিট মুনাফা সমপরিমাণে কম দেখায় (Understated)।
(1.4) সমন্বয় দাখিলার প্রধান উদ্দেশ্য হলো হিসাবকালের আয় ও ব্যয় সঠিকভাবে মিলিয়ে (উপচিতি ভিত্তিতে) নির্ভুল নিট মুনাফা ও আর্থিক অবস্থা নির্ণয় করা।
(1.5) তারল্য অনুপাত (Liquidity Ratio), বিশেষত চলতি অনুপাত (Current Ratio = চলতি সম্পদ ÷ চলতি দায়) এবং ত্বরিৎ অনুপাত (Quick Ratio)।
(1.6) পুঞ্জিভূত অবচয় একটি সম্পদের বিপরীত (Contra Asset) হিসাব, যার জের ক্রেডিট। আর্থিক অবস্থা বিবরণীতে সংশ্লিষ্ট স্থায়ী সম্পদ থেকে বাদ দিয়ে দেখানো হয়।
(1.7) ভুল এন্ট্রি: যন্ত্রপাতি ডেবিট ১০,০০০; বিক্রয় ক্রেডিট ১০,০০০। সঠিক হতো প্রদেয় হিসাব ক্রেডিট।
| হিসাব | ডেবিট (টাকা) | ক্রেডিট (টাকা) |
|---|---|---|
| বিক্রয় | ১০,০০০ | |
| প্রদেয় হিসাব | ১০,০০০ |
(1.8) ধরি, ক্রয়মূল্য = C। অবচয়যোগ্য মূল্য = C − ২০,০০০। হার ৫% (অর্থাৎ ২০ বছর আয়ুষ্কাল)।
বার্ষিক অবচয় = (C − ২০,০০০) × ৫% = ৩০,০০০
C − ২০,০০০ = ৬,০০,০০০ ⇒ C = ৬,২০,০০০ টাকা।
(দ্রষ্টব্য: হার পূর্ণ ক্রয়মূল্যের ওপর ধরলে C = ৩০,০০০ ÷ ৫% = ৬,০০,০০০ টাকা হতো; ভগ্নাবশেষ মূল্য দেওয়া থাকায় প্রথম ধরনটি গৃহীত হলো।)
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও