বিজ্ঞান • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৯

বিজ্ঞান প্রশ্ন

মাটির প্রকারভেদ হলো:

P-বালি, কাদা, পলি নির্দিষ্ট অনুপাতে থাকে, জৈব পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে | Q-মাটির কণার আকার বড়, পানি ধারণ ক্ষমতা কম | R-প্রচুর পানি ধারণ করতে পারে। হাত দিয়ে ধরলে হাতে লেগে থাকে।

  1. ক)

    বায়বায়ন কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    মাটির pH জানা থাকা জরুরি কেন?

    (2)
  3. গ)

    ‘R' মাটির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    P ও Q এর কোন প্রকারের মাটিতে ফসল ভালো জন্মায়? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দেখাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    মাটির কণার মধ্যকার ফাঁকা জায়গা বা রন্ধ্রপথে বাতাস চলাচলের প্রক্রিয়াকে বায়বায়ন বলে।

  2. খ)

    মাটির pH জানলে বোঝা যায় মাটি অম্লীয়, ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ। বেশির ভাগ ফসল pH ৭ বা তার কাছাকাছি হলে সর্বোচ্চ ফলন দেয়। আলু ও গম pH ৫–৬ এবং যব pH ৮-এ ভালো হয়। pH ঠিক না থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে pH ঠিক করা যায় এবং মাটি অনুযায়ী ফসল নির্বাচন করা যায়। তাই মাটির pH জানা জরুরি।

  3. গ)

    উদ্দীপকে R হলো কাদা মাটি, কারণ এটি প্রচুর পানি ধরে রাখে ও হাতে লেগে থাকে। এর গুরুত্ব:

    ১. কাদা মাটির কণা সূক্ষ্ম ও রন্ধ্র ছোট, তাই এটি প্রচুর পানি ও খনিজ পদার্থ ধরে রাখে। যেসব ফসলে বেশি পানি লাগে সেগুলোর জন্য এটি উপযোগী।
    ২. এতে খনিজ পদার্থের পরিমাণ অনেক বেশি।
    ৩. এই মাটি দিয়ে ঘর সাজানোর তৈজসপত্র ও গহনা তৈরি করা হয়।

    তবে এ মাটিতে সহজে জলাবদ্ধতা হয়, তাই চাষের জন্য জৈব সার দেওয়া দরকার।

  4. ঘ)

    P ও Q-এর মধ্যে P অর্থাৎ দোআঁশ মাটিতে ফসল ভালো জন্মায়। Q হলো বালু মাটি।

    ১. দোআঁশ মাটি বালু, পলি ও কাদার সমন্বয়ে তৈরি। তাই এর পানি ধারণক্ষমতা ভালো, আবার প্রয়োজনে বাড়তি পানি দ্রুত বের হয়ে যায়।
    ২. এতে জৈব পদার্থ বেশি থাকায় উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান পর্যাপ্ত থাকে।
    ৩. বালু মাটির কণা বড় ও পানি ধারণক্ষমতা কম, ফলে পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হয়ে যায় এবং গ্রীষ্মে উদ্ভিদে পানির স্বল্পতা হয়। এতে পুষ্টি উপাদানও কম থাকে।

    সুতরাং, দোআঁশ মাটি বেশির ভাগ ফসলের জন্য বালু মাটির চেয়ে বেশি উপযোগী।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন