পৌরনীতি ও নাগরিকতা • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৫

পৌরনীতি ও নাগরিকতা প্রশ্ন

তথ্য-১ | তথ্য-২
আঞ্চলিক সহযোগিতা | আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
সদস্য সংখ্যা-৮ | সদস্য সংখ্যা-১৯৩আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
স্থাপিত হয়-১৯৮৫ সালে | স্থাপিত হয়-১৯৪৫ সালে
এর সচিবালয় কাঠমান্ডুতে | এর সদর দপ্তর নিউইয়র্কে

  1. ক)

    জাতিপুঞ্জ কী?

    (1)
  2. খ)

    ওআইসি (OIC) কেন গঠিত হয়েছিল? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    তথ্য-১ কোন সংস্থাটিকে নির্দেশ করে? তার গঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তথ্য-২ সংস্থাটির সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    জাতিপুঞ্জ হলো বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা সাধারণভাবে জাতিসংঘ (United Nations) নামে পরিচিত।

  2. খ)

    ওআইসি (Organisation of Islamic Cooperation) মুসলিম দেশগুলোর সংগঠন। ১৯৬৯ সালে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে মুসলিম দেশগুলো মরক্কোর রাবাতে মিলিত হয়। সেখানেই ওআইসি গঠিত হয়। মুসলিম বিশ্বের ঐক্য ও সংহতি জোরদার করা, সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষা এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

  3. গ)

    তথ্য-১ এ সদস্য সংখ্যা ৮, প্রতিষ্ঠা ১৯৮৫ সাল এবং সচিবালয় কাঠমান্ডুতে। এসব তথ্য থেকে বোঝা যায় এটি সার্ক (SAARC) বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।

    লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
    ১. দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা ও কল্যাণ বৃদ্ধি করা।
    ২. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অগ্রগতি ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা।
    ৩. সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস, সমঝোতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
    ৪. সদস্য দেশগুলোর সমস্যা সমাধানে সমষ্টিগত আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করা।

  4. ঘ)

    তথ্য-২ এ সদস্য সংখ্যা ১৯৩, প্রতিষ্ঠা ১৯৪৫ সাল এবং সদর দপ্তর নিউইয়র্কে। এটি জাতিসংঘ (UN)। বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

    ১. সদস্যপদ: বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে এবং সনদের আদর্শ মেনে চলে।
    ২. শান্তিরক্ষা: বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য ও পুলিশ পাঠিয়ে বিশ্বশান্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
    ৩. উন্নয়ন সহায়তা: জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা (যেমন ইউনিসেফ, ডব্লিউএইচও, ইউএনডিপি) বাংলাদেশে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়তা করে।
    ৪. কূটনৈতিক ভূমিকা: জাতিসংঘের মাধ্যমে বাংলাদেশ মাতৃভাষা বাংলার আন্তর্জাতিক মর্যাদা ও নিজের স্বার্থ তুলে ধরেছে।

    সুতরাং, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন