যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

বৈশিষ্ট্য-১: জটিল, দুর্বোধ্য বিষয়কে সহজ-সরল ও স্পষ্টকরণ করা।বৈশিষ্ট্য-২: অনুমান, প্রকল্প, সংযুক্তিকরণ এবং শ্রেণিকরণের সাথে সম্পর্কিত।বৈশিষ্ট্য-৩: অজ্ঞানতা, অলৌকিকতা, গোঁড়ামী ও অন্ধ বিশ্বাসের সাথে সম্পর্কিত।

  1. ক)

    বিশ্লেষণ কী?

    (1)
  2. খ)

    জড়বস্তুর মুখ্য গুণের ব্যাখ্যা দেয়া যায় না কেন?

    (2)
  3. গ)

    বৈশিষ্ট্য-১ এ কীসের ইংগিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    বৈশিষ্ট্য-২ এবং বৈশিষ্ট্য-৩ এ নির্দেশিত বিষয়ের পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যায় বিশ্লেষণ হলো কোনো জটিল যৌগিক বিষয় বা ধারণাকে ভেঙে তার উপাদান বা সরল অংশসমূহে রূপান্তর করে সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করার পদ্ধতি।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জড়বস্তুর মুখ্য গুণ (যেমন: বিস্তৃতি, রূপ, স্থায়িত্ব ইত্যাদি) বস্তুর অবিচ্ছেদ্য এবং পরম মৌলিক গুণ। এগুলো বস্তুর অস্তিত্বের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত এবং স্বতঃপ্রমাণিত হওয়ায় এগুলোকে অন্য কোনো সহজতর বা সরলতর উপাদানে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না। তাই যুক্তিবিদ্যায় জড়বস্তুর মুখ্য গুণের কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের বৈশিষ্ট্য-১ এ 'ব্যাখ্যা' (Explanation) নামক যৌক্তিক ধারণার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।

    ব্যাখ্যা হলো এমন একটি মানসিক ও যৌক্তিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো জটিল, অস্পষ্ট, দুর্বোধ্য বা রহস্যময় বিষয়কে সহজ, বোধগম্য, স্পষ্ট ও সরল করে উপস্থাপন করা হয়। ইংরেজি 'Explanation' শব্দটির অর্থ কোনো বিষয়কে সমতল বা বোধগম্য করা।

    বৈশিষ্ট্য-১ অনুসারে কোনো ঘটনা বা বিষয় যখন আমাদের কাছে অবোধ্য থাকে, তখন তার কারণ উদ্ঘাটন করে কার্যকারণ সম্পর্কের মাধ্যমে প্রকাশ করাই হলো ব্যাখ্যা। এর ফলে অস্পষ্টতা দূর হয়ে বিষয়ের অন্তর্নিহিত স্বরূপ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের বৈশিষ্ট্য-২ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাকে এবং বৈশিষ্ট্য-৩ লৌকিক ব্যাখ্যাকে নির্দেশ করে। নিম্নে এদের পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. ধারণাগত ভিত্তি: বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা (বৈশিষ্ট্য-২) বস্তুনিষ্ঠ অনুমান, প্রকল্প, ঘটনার সংযুক্তিকরণ এবং শ্রেণিকরণের ওপর নির্ভর করে। পক্ষান্তরে, লৌকিক ব্যাখ্যা (বৈশিষ্ট্য-৩) মানুষের অজ্ঞতা, অলৌকিক বিশ্বাস, অন্ধসংস্কার ও গোঁড়ামির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

    ২. কার্যকারণ সম্পর্ক: বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় ঘটনার পেছনের বাস্তব ও নিয়মমাফিক কার্যকারণ সম্পর্ক অনুসন্ধান করা হয়। লৌকিক ব্যাখ্যায় কোনো ঘটনার পেছনে অলৌকিক শক্তি, ভূত-প্রেত বা কল্পিত দেব-দেবীর হাত রয়েছে বলে ধরা হয়।

    ৩. যাচাইযোগ্যতা: বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণের মাধ্যমে যাচাইযোগ্য এবং সার্বজনীন। লৌকিক ব্যাখ্যা কোনো প্রমাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয় এবং এটি যাচাই করা যায় না।

    ৪. মানসিক পরিতৃপ্তি: লৌকিক ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষের কুসংস্কারাচ্ছন্ন আবেগকে সাময়িক তুষ্ট করে, কিন্তু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা যুক্তি ও সত্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত বৌদ্ধিক তৃপ্তি প্রদান করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন