পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২১
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
ভাইরাস ও ছত্রাক এর আক্রমন শনাক্তে রোগীর মস্তিষ্কের রস সংগ্রহ ব্যবহৃত হয় এক ধরনের সুচ। দেশের বাজারে যার প্রতিটি মূল্য ২৫০ টাকা। অথচ এই সূচই ২৫,০০০ টাকায় কিনেছে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের একটি প্রতিষ্ঠান।
- ক)(1)
AIDS- এর পূর্ণরূপ কী?
- খ)(2)
ইভটিজিং বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে সমাজ জীবনের কোন সমস্যাটি ফুটে উঠেছে তা তোমার পাঠ্য বইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা দূরীকরণে নাগরিক সমাজের করণীয় কী? মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
AIDS-এর পূর্ণরূপ হলো Acquired Immuno Deficiency Syndrome।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং সমঅধিকার নিশ্চিত করার জন্য ইভটিজিং বন্ধ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। ইভটিজিংয়ের ফলে নারীশিক্ষা ব্যাহত হয়, বাল্যবিবাহ বৃদ্ধি পায় এবং অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী মানসিক বিপর্যয়ে পড়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। তাই সুস্থ সামাজিক পরিবেশ গড়ে তুলতে এবং নারীর অবাধ অগ্রগতি ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ইভটিজিং প্রতিরোধ অপরিহার্য।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে সমাজ জীবনের দুর্নীতি বা প্রশাসনিক দুর্নীতির রূপটি ফুটে উঠেছে।
সাধারণত ব্যক্তিগত স্বার্থে ক্ষমতার অপব্যবহার, দায়িত্বে অবহেলা এবং সরকারি অর্থের অপচয় বা আত্মসাৎ করাই হলো দুর্নীতি। পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ে দুর্নীতিকে সুশাসনের প্রধান অন্তরায় হিসেবে গণ্য করা হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, যে সুচের বাজারমূল্য মাত্র ২৫০ টাকা, স্বাস্থ্য বিভাগের একটি প্রতিষ্ঠান তা ২৫,০০০ টাকায় ক্রয় করেছে। এটি স্পষ্টতই জনসাধারণের অর্থ আত্মসাৎ ও নীতিহীনতার দৃষ্টান্ত, যা দুর্নীতির মারাত্মক চিত্র তুলে ধরে। দুর্নীতির কারণে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয় এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত দুর্নীতির সমস্যা দূরীকরণে নাগরিক সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দুর্নীতি প্রতিরোধে নাগরিক সমাজকে প্রথমত ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। নাগরিক হিসেবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। এছাড়া বিভিন্ন সেমিনার, গণমাধ্যম ও সামাজিক প্ল্যাটফর্মে দুর্নীতির কুফল সম্পর্কে আলোচনা করে জনগণকে সোচ্চার করতে হবে। নাগরিক সংগঠনগুলো সরকারি কেনাকাটা ও কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতে পারে। পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনকে সহযোগিতা করা এবং যেখানেই দুর্নীতি হবে সেখানেই প্রতিবাদ গড়ে তোলা নাগরিক সমাজের অন্যতম দায়িত্ব।
সুতরাং বলা যায়, আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি নাগরিক সমাজের সক্রিয় প্রতিরোধ ও সামাজিক মূল্যবোধের উন্নয়ন ছাড়া দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও