অর্থনীতি ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৯

অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

মি.'X' গণমাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে অনেক বিষয়ে জানায়, তার মধ্যে ধারণা সৃষ্টি হয় বাংলাদেশ একটি অপার সম্ভাবনাময় দেশ। সম্প্রতি তিনি প্রায় সকল খাতেই ধনাত্মক পরিবর্তন লক্ষ করেন। যেমন: অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সঞ্চয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি ইত্যাদি। তিনি আরও অনুভব করেন, অনুকূল পরিবেশ ও বিদ্যমান সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার হলে বাংলাদেশ অচিরেই একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।

  1. ক)

    পলাশির যুদ্ধ কত সালে হয়?

    (1)
  2. খ)

    মুসলিম যুগকে কেন ‘স্বর্ণযুগ’ বলা হয় ? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিধারা ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তুমি কি মনে করো , বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পলাশির যুদ্ধ ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সুলতানি ও মোগল আমলে বাংলার কৃষি, বস্ত্রশিল্প—বিশেষত মসলিন—কারুশিল্প ও বৈদেশিক বাণিজ্য সমৃদ্ধ ছিল। উৎপাদন ও রপ্তানি থেকে অর্জিত ঐশ্বর্য বাংলার অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছিল। এই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কারণেই পাঠ্যপুস্তকে মুসলিম যুগকে বাংলার অর্থনীতির “স্বর্ণযুগ” বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সঞ্চয় ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি ইতিবাচক উন্নয়নধারা দেখানো হয়েছে।

    প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির অর্থ উৎপাদন ও জাতীয় আয়ের বিস্তার। সঞ্চয় বাড়লে পুঁজি গঠন ও বিনিয়োগের অর্থের জোগান বাড়ে, যা উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি আমদানি ও বৈদেশিক দেনা পরিশোধের সক্ষমতা এবং বহিঃখাতের স্থিতি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

    তাই উদ্দীপকের মি. X যে পরিবর্তনগুলো লক্ষ করেছেন, সেগুলো সম্পদের উৎপাদনশীল ব্যবহার ও উন্নয়নের সম্ভাবনা নির্দেশ করে। এ বিশ্লেষণ উদ্দীপকের ২০১৯ সালের প্রেক্ষাপটের; বর্তমান সময়ের অযাচাই করা পরিসংখ্যান বা পরবর্তীকালের প্রকল্পকে এখানে অর্জিত ঘটনা হিসেবে যোগ করা হয়নি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ২০১৯ সালের পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে সম্পদের কার্যকর ব্যবহার, অনুকূল পরিবেশ ও ধারাবাহিক উন্নয়ন বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের অবস্থানকে টেকসই করতে পারে। বাংলাদেশ ২০১৫ সালেই বিশ্বব্যাংকের নিম্ন-মধ্যম আয়ের শ্রেণিতে প্রবেশ করেছিল; তাই এখানে মধ্যম আয়ের অবস্থান সুদৃঢ় করা ও আরও উন্নত আয়ের পর্যায়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বোঝা যুক্তিসংগত।

    উদ্দীপকে প্রবৃদ্ধি, সঞ্চয় ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির কথা রয়েছে। কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিনিয়োগ, দক্ষ কর্মসংস্থান, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, সুশাসন ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এই অগ্রগতিকে টেকসই করতে সাহায্য করে।

    সুতরাং সম্ভাবনা ইতিবাচক হলেও উন্নয়ন স্বয়ংক্রিয় নয়; সম্পদের অপচয়, বৈষম্য ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা দূর করতে হবে। ২০১৯ সালের উত্তরে পরবর্তী বছরে চালু হওয়া পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল বা মেট্রোরেলকে ইতোমধ্যে অর্জিত উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যাবে না।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন