বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৩
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
হেলেনিক সংস্কৃতি কী?
- খ)(2)
নবোপলীয় যুগ বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
তথ্য-১ এ উল্লিখিত নামগুলো কোন সভ্যতার ধর্ম-বিশ্বাসের সাথে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
তথ্য-২ এর নিদর্শনগুলো প্রাচীন একটি সভ্যতার শিল্পের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ বহন করে-বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
প্রাচীন গ্রিকরা নিজেদের হেলেনীয় (Hellenic) বলে পরিচয় দিত। গ্রিসের ভাষা, ধর্ম, শিল্প ও জীবনধারাকে একত্রে হেলেনিক সংস্কৃতি বলা হয়।
- খ)
প্রস্তর যুগের শেষ পর্যায়কে নবোপলীয় যুগ বলা হয়। এই সময়ে মানুষ মসৃণ ও ধারালো পাথরের হাতিয়ার তৈরি করত, কৃষি ও পশুপালন শিখে স্থায়ী বসতি গড়ে তোলে এবং মৃৎপাত্র ও চাকার ব্যবহার শুরু করে।
- গ)
তথ্য-১ এ উল্লিখিত 'রে', 'আমনরে' ও 'ওসিরিস' প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার ধর্মবিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত।
মিশরীয়রা বহু দেবতার পূজা করত। 'রে' ছিলেন সূর্যদেবতা, পরবর্তীকালে 'আমন' ও 'রে' একত্র হয়ে 'আমনরে' হয়ে ওঠেন এবং প্রধান দেবতা হিসেবে পূজিত হন। 'ওসিরিস' ছিলেন পরলোক ও মৃতদের দেবতা। এই দেবতাদের কেন্দ্র করেই মিশরীয়দের ধর্মীয় জীবন আবর্তিত হতো।
- ঘ)
তথ্য-২ এ স্ফিংস, ফারাও ও খুফু—এই নিদর্শনগুলো প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার শিল্প-স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ বহন করে।
১. স্থাপত্য: ফারাও খুফুর পিরামিড গিজার সবচেয়ে বড় পিরামিড, যা প্রকৌশল ও জ্যামিতির জ্ঞানের পরিচয় দেয়।
২. ভাস্কর্য: স্ফিংস বিশাল পাথরে তৈরি সিংহের দেহ ও মানুষের মাথাযুক্ত ভাস্কর্য, যা মিশরীয়দের ভাস্কর্য-দক্ষতার উদাহরণ।
৩. ফারাওদের মূর্তি ও মন্দির: ফারাওদের প্রতিমূর্তি ও মন্দিরের দেয়ালচিত্র তাদের শিল্পবোধ ও ধর্মবিশ্বাসের সমন্বয় প্রকাশ করে।সুতরাং, এই নিদর্শনগুলো মিশরীয় শিল্পের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও