বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৬
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
রাজা বিপিন রায় প্রাচীন বাংলার রাজা ছিলেন। তিনি অত্যন্ত সুপণ্ডিত ছিলেন। বিদ্যা ও বিজ্ঞানের প্রতি তার যথেষ্ট অনুরাগ ছিল। বিভিন্ন শাস্ত্র তিনি অধ্যয়ন করেছিলেন। সাহিত্যের বিকাশের জন্য তার অবদান ছিল অপরিসীম। তিনি দুটি গ্রন্থও রচনা করেন। তার একটি বিরাট পাঠাগার ছিল।
- ক)(1)
মহাসামন্ত কী?
- খ)(2)
মাৎস্যন্যায়-এর অবসান ঘটে কীভাবে?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত রাজা বিপিন রায়-এর চরিত্রে প্রাচীন কালের কোন শাসকের চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত রাজবংশের শ্রেষ্ঠ রাজার কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
মহাসামন্ত হলো প্রাচীন বাংলায় প্রভাবশালী বড় সামন্ত শাসকদের উপাধি।
- খ)
শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় প্রায় একশ বছর অরাজকতা চলে, যাকে মাৎস্যন্যায় বলা হয়। এ অবস্থা শেষ করতে বাংলার প্রধানরা (প্রকৃতিপুঞ্জ) মিলে গোপালকে রাজা নির্বাচিত করেন।
গোপাল শক্ত হাতে শাসন করে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন এবং এভাবেই মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটে। - গ)
উদ্দীপকের রাজা বিপিন রায়ের চরিত্রে সেন বংশের রাজা বল্লাল সেনের মিল পাওয়া যায়।
বল্লাল সেন সুপণ্ডিত ছিলেন এবং বিদ্যা ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তিনি 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' নামে দুটি গ্রন্থ রচনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। উদ্দীপকের দুটি গ্রন্থ রচনা ও পাঠাগারের উল্লেখ তাঁর বিদ্যানুরাগের সঙ্গে মেলে।
সুতরাং, জ্ঞানচর্চা ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় রাজা বিপিন রায় বল্লাল সেনের মতো। - ঘ)
সেন বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা হিসেবে বিজয় সেনকে ধরা হয়।
১. সামরিক সাফল্য: তিনি পাল, বর্মণ ও অন্যান্য শক্তিকে পরাজিত করে বাংলার বড় অংশে সেন শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
২. রাজ্যসীমা সম্প্রসারণ: রাঢ় ও বরেন্দ্রসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল তাঁর শাসনে আসে।
৩. ভিত্তি স্থাপন: দীর্ঘ শাসনে তিনি সেন সাম্রাজ্যকে সুসংহত করেন, যার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী রাজারা শাসন করেন।
সুতরাং, সামরিক ও শাসনিক কৃতিত্বের কারণে বিজয় সেন সেন বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও