বিজ্ঞান • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৩
বিজ্ঞান প্রশ্ন
- ক)(1)
সিরাম কাকে বলে?
- খ)(2)
Rh ফ্যাক্টর বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
মানবদেহের জন্য C গুরুত্বপূর্ণ- ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের A ও B এর তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
রক্ত জমাট বাঁধার পর যে স্বচ্ছ হালকা হলুদ রস পাওয়া যায়, অথবা রক্তরস থেকে জমাট বাঁধার প্রোটিন (ফাইব্রিনোজেন) সরিয়ে নিলে যে তরল থাকে, তাকে সিরাম বলে।
- খ)
লোহিত রক্তকণিকার গায়ের আবরণে এক ধরনের অ্যান্টিজেন থাকে, যাকে Rh ফ্যাক্টর বলে। যার রক্তে এই ফ্যাক্টর থাকে তার রক্ত Rh পজিটিভ (Rh+), আর না থাকলে Rh নেগেটিভ (Rh−)। রক্ত দেওয়া-নেওয়া ও গর্ভাবস্থায় এর গুরুত্ব আছে।
- গ)
উদ্দীপকের C হলো রক্ত, যা লালবর্ণের অস্বচ্ছ ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। মানবদেহে এর গুরুত্ব নিচে ব্যাখ্যা করা হলো।
১. অক্সিজেন ও পুষ্টি পরিবহন: লোহিত কণিকা অক্সিজেন এবং প্লাজমা খাদ্যসার ও হরমোন দেহকোষে পৌঁছে দেয়।
২. বর্জ্য অপসারণ: রক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড ও ইউরিয়ার মতো বর্জ্য কিডনি ও ফুসফুসে নিয়ে যায়।
৩. রোগ প্রতিরোধ ও জমাট বাঁধা: শ্বেত কণিকা জীবাণু ধ্বংস করে এবং অণুচক্রিকা রক্তপাত বন্ধ করে।তাই রক্ত মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ঘ)
উদ্দীপকের A হলো ধমনি (হৃৎপিণ্ড থেকে উৎপন্ন) এবং B হলো শিরা (কৈশিক জালিকা থেকে উৎপত্তি)। এদের তুলনা নিচে দেওয়া হলো।
১. রক্ত প্রবাহের দিক: ধমনি হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে রক্ত নেয়; শিরা দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে হৃৎপিণ্ডে রক্ত ফিরিয়ে আনে।
২. প্রাচীর ও গহ্বর: ধমনির প্রাচীর পুরু ও গহ্বর ছোট; শিরার প্রাচীর পাতলা ও গহ্বর বড়।
৩. কপাটিকা ও স্পন্দন: ধমনিতে কপাটিকা থাকে না, স্পন্দন আছে এবং রক্ত বেগে প্রবাহিত হয়; শিরায় কপাটিকা থাকে, স্পন্দন নেই এবং রক্ত ধীরে প্রবাহিত হয়।
৪. রক্তের ধরন: সাধারণত ধমনিতে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত থাকে (ফুসফুসীয় ধমনি ব্যতিক্রম), শিরায় অক্সিজেনবিহীন রক্ত থাকে (পালমোনারি শিরা ব্যতিক্রম)।সুতরাং, ধমনি ও শিরা উভয়ই রক্তবাহিকা হলেও গঠন ও কাজে ভিন্ন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও