কৃষিশিক্ষা • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৩
কৃষিশিক্ষা প্রশ্ন
আবিদা সুলতানা সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ‘দিশা' নামক সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে একটি মুরগির খামার গড়ে তুললেন। খামার থেকে উন্নত মানের ডিম পেতে তিনি সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা ও উৎপাদন পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিলেন। এক বছরের মধ্যে তিনি একজন সফল খামার মালিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। বর্তমানে আবিদার খামারে ৮০০টি ডিম দেওয়ার উপযোগী মুরগি আছে।
- ক)(1)
রেশন কাকে বলে?
- খ)(2)
সাইলেজ ব্যবহারের সুবিধা বর্ণনা করো।
- গ)(3)
আবিদা সুলতানার খামারে মুরগির জন্য প্রতিদিন কী পরিমাণ সম্পূরক খাদ্য প্রদান করতে হয়? নির্ণয় করো ।
- ঘ)(4)
আবিদা সুলতানা খামারের মুরগির জন্য সুষম সম্পূরক খাদ্য তৈরির জন্য কী কী বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন? বিশ্লেষণ করো ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
একটি প্রাণীকে ২৪ ঘণ্টায় যে পরিমাণ ও যে ধরনের খাদ্য দেওয়া হয়, তাকে রেশন বলে।
- খ)
সাইলেজ হলো সবুজ ঘাস বা গাছ বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণ করে তৈরি রসালো খাদ্য। এর সুবিধা হলো:
১. ঘাসের অভাবের সময় সারা বছর সবুজ খাদ্য সরবরাহ করা যায়।
২. এতে পুষ্টিমান বেশি থাকে এবং গবাদিপশু তা পছন্দ করে।
৩. কম জায়গায় বেশি খাদ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং খরচ কম। - গ)
খামারে ডিম পাড়ার উপযোগী মুরগির সংখ্যা = ৮০০টি।
প্রতিটি ডিম পাড়া মুরগির জন্য দৈনিক গড়ে ১২০ গ্রাম খাদ্য প্রয়োজন।
মোট দৈনিক খাদ্য = গ্রাম = গ্রাম = কেজি = ৯৬ কেজি।
সুতরাং, আবিদা সুলতানার খামারে প্রতিদিন ৯৬ কেজি খাদ্য প্রদান করতে হবে।
- ঘ)
আবিদা সুলতানা ডিম দেওয়া মুরগির জন্য সুষম সম্পূরক খাদ্য তৈরিতে নিচের বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন:
১. পুষ্টি উপাদানের সমন্বয়: খাদ্যে শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান সঠিক অনুপাতে থাকতে হবে। ডিম উৎপাদনের জন্য আমিষ ও ক্যালসিয়াম বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
২. মুরগির বয়স ও উৎপাদন অবস্থা: মুরগির বয়স ও ডিম দেওয়ার অবস্থা অনুযায়ী খাদ্যের পরিমাণ ও উপাদান নির্ধারণ করতে হবে।
৩. সহজলভ্যতা ও খরচ: স্থানীয়ভাবে সহজে পাওয়া ও কম দামের উপকরণ ব্যবহার করলে উৎপাদন খরচ কমে।
৪. খাদ্যের গুণগত মান: খাদ্য টাটকা, ছত্রাকমুক্ত ও সুস্বাদু হতে হবে এবং সব সময় পরিষ্কার পানি সরবরাহ করতে হবে।সুতরাং, এসব বিষয় মেনে সুষম খাদ্য দিলে ডিম উৎপাদন বাড়ে এবং খামার লাভজনক হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও