বাংলা ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩
বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন
1.1.
(ক) ম-ফলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো।
1.2.
অথবা, (খ) শুদ্ধ উচ্চারণ লেখো (যেকোনো পাঁচটি):চর্য্যাশব্দ, চিহ্ন, সঙ্গম, ব্রাহ্মণ, প্রতিজ্ঞা, নবজাত, আহ্বান, ইতঃপূর্ব্বে।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।
স্পষ্ট অনুমান: পরীক্ষার নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা (ক) অথবা (খ)-এর যেকোনো একটির উত্তর প্রদান করবে। এখানে পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার সুবিধার্থে উভয় অংশেরই শুদ্ধ উত্তর তুলে ধরা হয়েছে।
(ক) ম-ফলা উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ নিচে দেওয়া হলো:
১. পদের প্রথমে ম-ফলা: শব্দের আদিতে ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ম-ফলা যুক্ত হলে সেই 'ম'-এর উচ্চারণ হয় না; তবে সংশ্লিষ্ট বর্ণটি সামান্য অনুনাসিক বা নাসিক্য হয়।
উদাহরণ: স্মরণ [শঁরোন্], স্মৃতি [সৃতিঁ / স্রিতিঁ]।
২. পদের মধ্যে বা অন্তে ম-ফলা: শব্দের মধ্যে বা শেষে কোনো বর্ণের সাথে ম-ফলা যুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট বর্ণটির উচ্চারণ দ্বিত্ব হয় এবং শেষ বর্ণটিতে সামান্য অনুনাসিকতা বজায় থাকে।
উদাহরণ: পদ্ম [পদ্দোঁ], আত্মীয় [আত্তিঁঅ]।
৩. গ, ঙ, ণ, ন, ম, ল-এর সাথে ম-ফলা: গ, ঙ, ণ, ন, ম বা ল বর্ণের সাথে ম-ফলা যুক্ত হলে 'ম'-এর উচ্চারণ অবিকৃত বা বজায় থাকে।
উদাহরণ: যুগ্ম [জুগ্মো], মৃন্ময় [মৃন্ময়্], সম্মান [শম্ম্ান্], গুল্ম [গুল্মো]।
৪. যুক্তবর্ণের সাথে ম-ফলা: যুক্তব্যঞ্জনের সঙ্গে ম-ফলা যুক্ত হলে সেই ম-ফলার কোনো উচ্চারণ হয় না।
উদাহরণ: সূক্ষ্ম [শুক্খো], লক্ষ্মী [লোক্খি]।
৫. সংস্কৃত শব্দে ম-এর স্থায়িত্ব: কতিপয় বিশেষ সংস্কৃত বা তৎসম শব্দে ম-ফলার উচ্চারণ অবিকৃত থাকে।
উদাহরণ: কুষ্মাণ্ড [কুশ্মান্ডো], সুস্মিতা [শুশ্মিতা]।
অথবা, (খ) প্রদত্ত শব্দগুলোর শুদ্ধ উচ্চারণ (যেকোনো পাঁচটি):
১. চর্য্যাশব্দ = চোর্জা শব্দো (বা, চোর্জাশব্দো)
২. চিহ্ন = চিন্হো
৩. সঙ্গম = শঙ্গম্
৪. ব্রাহ্মণ = ব্রাম্হন্ (বা, ব্রাম্মোন)
৫. প্রতিজ্ঞা = প্রোতিগ্গাঁ
৬. নবজাত = নবোজাতো
৭. আহ্বান = আওভান্
৮. ইতঃপূর্ব্বে = ইতোপোর্বে
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও