বাংলা ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৬
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
উদ্দীপক-১ : “সারাদিন রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে
কঠোর কাজে স্বল্প আয়ে
ফিরে যাই ছোট্ট ঘরে সন্ধ্যা যখন নামে
দুপুর বেলা হয়নি খাওয়া
স্বল্প আয়ের ভয়ে।”
উদ্দীপক-২ : “কখনো বা পুকুর পাড়ে
লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া
মাঝে মধ্যে মায়ের বকা
সেই সবদিন ছিল মোড়া।”
- ক)(1)
হরিহর তাগাদার জন্য কোথায় গিয়েছিল?
- খ)(2)
‘তোমার তো আবার গল্প করে বেড়ানো স্বভাব’—এ কথা হরিহর কেন বলেছিল? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপক-১ ‘আম আটির ভেঁপু’ গল্পের কোন বিষয়টিকে নির্দেশ করে বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
“উদ্দীপক-১ কে ছাপিয়ে উদ্দীপক-২ এর ভাবার্থ যেন ‘আম-আঁটির ভেঁপু’ গল্পে প্রাধান্য বিস্তার করেছে”—মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- গ)
উদ্দীপক-১-এ দিনভর রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে কঠোর শ্রম করেও স্বল্প আয়, দুপুরের খাবার না জোটা এবং ছোট্ট ঘরে ফেরার কথা বলা হয়েছে। এটি 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পের দারিদ্র্যক্লিষ্ট জীবনের কষ্টের দিকটিকে নির্দেশ করে।
১. গল্পে হরিহরের পরিবার চরম অভাবে দিন কাটায়। সামান্য আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়।
২. উদ্দীপক-১-এর শ্রমজীবী মানুষটির মতো গল্পের পরিবারও পরিশ্রম করে কিংবা চেষ্টা করেও অভাব কাটাতে পারে না।
৩. দুজনের জীবনেই দারিদ্র্য ও খাবারের কষ্ট বাস্তব।তাই উদ্দীপক-১ গল্পের দারিদ্র্য ও জীবনসংগ্রামকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
মন্তব্যটি যথার্থ। উদ্দীপক-২-এ শৈশবের পুকুরপাড়ে ঝাঁপিয়ে পড়া, মায়ের বকুনি ও স্মৃতিময় সেই সব দিনের আনন্দের কথা আছে। উদ্দীপক-১-এ আছে দারিদ্র্যের কষ্ট। 'আম-আঁটির ভেঁপু' গল্পে দারিদ্র্য থাকলেও শৈশবের এ আনন্দময় ভাবই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।
১. শৈশবের আনন্দ: অপু ও দুর্গা প্রকৃতির মাঝে খেলে বেড়ায়, বাগানে ঘোরে এবং আম-আঁটি দিয়ে ভেঁপু বানিয়ে বাজায়। এটি উদ্দীপক-২-এর ছুটোছুটির মতোই।
২. মায়ের বকুনি: গল্পে দুর্গার দুরন্তপনার জন্য মা সর্বজয়ার বকুনির কথা আছে। উদ্দীপক-২-এ মায়ের বকা শৈশবের স্মৃতির অংশ।
৩. অভাবে অম্লান শৈশব: গল্পে অভাব থাকলেও শিশুদের কল্পনা, কৌতূহল ও আনন্দ ম্লান হয়নি। দারিদ্র্য পটভূমি হলেও গল্পের মূল সুর শৈশবের নির্মল আনন্দ।সুতরাং, দারিদ্র্যের চেয়ে শৈশবের সরল আনন্দ গল্পে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও