ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২২
ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং প্রশ্ন
মি. মাজেদ একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তিনি নতুন বাড়ি নির্মাণের জন্য আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার নেন এবং ব্যাংক থেকে ৭ বছর মেয়াদে ২০ লক্ষ টাকা ৫.৫০% হার সুদে ঋণ নেন। ঋণের উদ্বৃত্তের অর্ধেক অর্থ নিজস্ব পোলট্রি খামারে বিনিয়োগ করেন।
- ক)(1)
PPP-এর পূর্ণরূপ কী?
- খ)(2)
তারল্য ও মুনাফার মধ্যে ভারসাম্যরক্ষাকারী নীতিটি ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
মি. মাজেদ কোন ধরনের অর্থায়ন করেছেন? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
মি. মাজেদের উদ্বৃত্ত অর্থের বিনিয়োগ নীতি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
PPP-এর পূর্ণরূপ Public-Private Partnership (সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব)।
- খ)
তারল্য হলো সহজে নগদে রূপান্তরযোগ্য অর্থ বা সম্পদ, আর মুনাফা হলো বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত আয়। এ দুটির মধ্যে সাধারণত বিপরীত সম্পর্ক থাকে: বেশি তারল্য রাখলে মুনাফা কমে, আবার বেশি মুনাফার জন্য বিনিয়োগ করলে তারল্য কমে। তাই দৈনন্দিন চাহিদা মেটানো ও আয় অর্জন দুটোই নিশ্চিত করতে এ দুয়ের মধ্যে ভারসাম্য রাখার নীতিই তারল্য ও মুনাফার ভারসাম্য নীতি।
- গ)
মি. মাজেদ নতুন বাড়ি নির্মাণের জন্য আত্মীয়-স্বজন ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। বাড়ি নির্মাণ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক প্রয়োজন, এতে ব্যবসায়িক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য নেই। সুতরাং এটি ব্যক্তিগত বা পারিবারিক অর্থায়ন।
এ ধরনের অর্থায়নে ব্যক্তি নিজের আয়, সঞ্চয় ও ঋণ ব্যবহার করে আবাসন, শিক্ষা বা চিকিৎসার মতো প্রয়োজন মেটায়। এখানে আত্মীয়দের ধার হলো অনানুষ্ঠানিক উৎস এবং ব্যাংক ঋণ হলো প্রাতিষ্ঠানিক উৎস।
- ঘ)
মি. মাজেদ ঋণের উদ্বৃত্তের অর্ধেক পোলট্রি খামারে বিনিয়োগ করেছেন। এখানে তারল্য ও মুনাফার ভারসাম্য নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
১. মুনাফার দিক: উদ্বৃত্তের অর্ধেক খামারে বিনিয়োগ করায় ভবিষ্যতে আয় ও মুনাফা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
২. তারল্যের দিক: বাকি অর্ধেক অর্থ বিনিয়োগ না করে নিজের কাছে রাখলে তা প্রয়োজনে সহজে ব্যবহার করা যাবে। সব অর্থ বিনিয়োগ করলে নগদের সংকট হতে পারত।
৩. ঝুঁকি হ্রাস: পুরো অর্থ একটিমাত্র খাতে না দেওয়ায় ঝুঁকিও সীমিত থাকে।সুতরাং, তিনি তারল্য ও মুনাফার মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে বিনিয়োগ করেছেন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও