পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
পাকিস্তানে কে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন?
- খ)(2)
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কী?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লেখিত ছকে কোন নির্বাচনের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উক্ত নির্বাচনে বিজয়ী জোটের বিজয়ের কারণ বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পাকিস্তানে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা (১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদার দাবিতে বাঙালি তরুণদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো দিনটিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করে। প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বহুভাষিকতার প্রসারে দিনটি পালিত হয়। এটি আমাদের জাতীয় আত্মমর্যাদা এবং মাতৃভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ছকে ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
ছকে উল্লেখিত উপাদানগুলো হলো— '২১ দফা', 'নির্বাচনি প্রতীক নৌকা', 'মোট আসন ৩০৯' এবং 'ফলাফলে প্রাপ্ত আসন ২২৪'। ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো মিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠন করে। তাদের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা এবং তাদের নির্বাচনি ইশতেহার ছিল ঐতিহাসিক ২১ দফা কর্মসূচি। এই নির্বাচনে মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট এককভাবে ২২৪টি (মতান্তরে ২২৩টি মুসলিম আসনসহ মোট ২২৮টি) আসনে বিপুল বিজয় লাভ করে। অতএব, উদ্দীপকের ছকটি সুস্পষ্টভাবেই ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জোট যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের পেছনে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বহুমুখী কারণ বিদ্যমান ছিল।
প্রথমত, যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার '২১ দফা' ছিল বাঙালি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি, জমিদারি প্রথা বিলোপ, পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের দাবি এই দফায় অন্তর্ভুক্ত থাকায় এটি সর্বস্তরের মানুষকে আলোড়িত করে।
দ্বিতীয়ত, মুসলিম লীগের গণবিচ্ছিন্নতা, স্বৈরাচারী শাসন, দুর্নীতি, খাদ্যসংকট এবং ভাষা আন্দোলনে দমনপীড়ন জনগণের মনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল। ফলে জনগণ মুসলিম লীগকে বর্জন করে যুক্তফ্রন্টকে সমর্থন জানায়।
তৃতীয়ত, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের মতো প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় নেতাদের নেতৃত্ব এবং তাঁদের ঐক্যবদ্ধ নির্বাচনী প্রচারণা যুক্তফ্রন্টকে বিপুল জনপ্রিয় এনে দেয়।
চতুর্থত, ছাত্রসমাজ ও তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ নির্বাচনী প্রচারণাকে গ্রামপর্যায়ে গণআন্দোলনে রূপ দেয়। প্রতীক হিসেবে 'নৌকা' সাধারণ নদীমাতৃক বাংলার গ্রামীণ মানুষের মনস্তাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত আপন হয়ে উঠেছিল।
উপর্যুক্ত কারণগুলোর সমন্বিত প্রভাবেই ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও