যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    যুক্তিবিদ্যা কী?

    (1)
  2. খ)

    যুক্তিবিদ্যা কোন ধরনের চিন্তা নিয়ে আলোচনা করে?

    (2)
  3. গ)

    ছক-১ আলোকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞানের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ‘উদ্দীপকে ছক-২ যুক্তিবিদ্যার পরিধির অন্তর্ভুক্ত'- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যা হলো এমন একটি ব্যবহারিক ও আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান, যা সত্যের অনুসন্ধানে বৈধ যুক্তিপদ্ধতিকে অবৈধ যুক্তিপদ্ধতি থেকে পৃথক করার নিয়মাবলি আলোচনা করে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যা মূলত নিয়ন্ত্রিত বা যৌক্তিক চিন্তা নিয়ে আলোচনা করে।

    মনস্তত্ত্বের মতো যুক্তিবিদ্যা সব ধরনের চিন্তা (যেমন- স্মৃতি, কল্পনা, অনুভূতি বা প্রত্যক্ষ) নিয়ে আলোচনা করে না। বরং এটি অনুমানের সাথে সম্পর্কিত চিন্তনপ্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করে, যার মূল উদ্দেশ্য হলো সত্য অর্জন এবং ভ্রান্তি পরিহার করা। তাই চিন্তার বৈধ রূপ ও নিয়মাবলি যুক্তিবিদ্যার মূল বিবেচ্য বিষয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ছক-১-এ নীতিবিদ্যা, নন্দনতত্ত্ব ও যুক্তিবিদ্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা দর্শনের তিনটি প্রধান আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান (Normative Science)।

    আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞানের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
    ১. আদর্শ প্রতিষ্ঠা: আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান কোনো বিষয় যেমন আছে সেটির কেবল বর্ণনাই দেয় না, বরং কেমন হওয়া উচিত সেই লক্ষ্য নির্ধারণ করে একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বা আদর্শ স্থাপন করে।
    ২. মানদণ্ডের নিরিখে মূল্যায়ন: ছক-১-এ উল্লিখিত নীতিবিদ্যা আচরণকে 'ভালো' বা 'মন্দ'-এর আদর্শে, নন্দনতত্ত্ব শিল্প বা সৃষ্টিকে 'সুন্দর'-এর আদর্শে এবং যুক্তিবিদ্যা চিন্তাকে 'সত্য'-এর আদর্শে বিচার ও মূল্যায়ন করে।
    ৩. ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা: এ বিজ্ঞান মানুষের চিন্তা, কাজ ও সৃষ্টিশীলতাকে সঠিক ও সুন্দর পথে পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট নিয়মকানুন প্রণয়ন করে।

    অতএব, ছক-১-এর বিষয়গুলো একটি নির্দিষ্ট চরম আদর্শকে সামনে রেখে নিয়ম প্রণয়ন ও মূল্যায়ন করে বলে এগুলো আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ‘উদ্দীপকে ছক-২ যুক্তিবিদ্যার পরিধির অন্তর্ভুক্ত'- মন্তব্যটি যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ।

    উদ্দীপকের ছক-২-এ 'চিন্তা', 'যুক্তি' এবং 'ভাষা'—এই তিনটি বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে। যুক্তিবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয় ও পরিধি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়:

    ১. চিন্তা (Thought): যুক্তিবিদ্যার উৎপত্তিগত সংজ্ঞাই হলো 'চিন্তার বিজ্ঞান'। তবে মনস্তত্ত্বের মতো যুক্তিবিদ্যা মনের সব প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করে না; বরং সত্য অর্জনের লক্ষ্যে পরিচালিত নিয়ন্ত্রিত চিন্তা বা অনুমানই এর মূল আলোচ্য বিষয়।
    ২. যুক্তি (Argument): যুক্তির নিয়মাবলি অনুসন্ধান করাই যুক্তিবিদ্যার প্রধান কাজ। একটি জ্ঞাত সত্য থেকে অজ্ঞাত সত্যে পৌঁছানোর মানসিক প্রক্রিয়াকে যখন ভাষায় ব্যক্ত করা হয়, তখন তাকে যুক্তি বলে। বৈধ যুক্তি গঠন ও অনুপপত্তি পরিহার যুক্তিবিদ্যার পরিধির কেন্দ্রবিন্দু।
    ৩. ভাষা (Language): চিন্তা বা যুক্তিকে প্রকাশের একমাত্র বাহন হলো ভাষা। অস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থবোধক ভাষা দূর করে চিন্তাকে যথাযথ ও নির্ভুলভাবে প্রকাশ করার নিয়মাবলি যুক্তিবিদ্যায় বিশদভাবে আলোচনা করা হয়। যুক্তিবাক্য, পদ ও এদের গঠন যুক্তিবিদ্যার ভাষারই অংশ।

    সুতরাং, চিন্তা, যুক্তি ও ভাষা—এই তিনটি উপাদান ছাড়া যুক্তিবিদ্যার পরিধি কল্পনা করা যায় না। তাই উদ্দীপকের মন্তব্যটি সম্পূর্ণ সঠিক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন