ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৩

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

মি. ক, খ ও গ তিন বন্ধু পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে ১৯৩২ সালের আইন অনুযায়ী একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।সমঝোতা মোতাবেক মি. "ক" ব্যবসায়িক কোনো পুঁজি বিনিয়োগ করবেন না, তবে ব্যবসায় পরিচালনায় অংশগ্রহণ করবেন। ব্যবসায় সুন্দরভাবে পরিচালিত হলেও দেনাদার মি. "ঘ" এর নিকট পাওনা ৫০০০০ টাকা আদায় করা যাচ্ছে না। এমনকি তারা উক্ত পাওনা আদায় আদালতের আশ্রয় নিয়েও ব্যর্থ হয়।

  1. ক)

    ঘুমন্ত অংশীদার কি?

    (1)
  2. খ)

    অংশীদারি ব্যবসায় সহজে বিলুপ্তি হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে মি. "ক" কোন ধরনের অংশীদার? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    যে কারণে অংশীদাররা পাওনা আদায়ে আদালতে আশ্রয় নিতে ব্যর্থ হল - উদ্দীপকের আলোকে তা বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে অংশীদার ব্যবসায় মূলধন বিনিয়োগ করে এবং লাভের অংশ গ্রহণ করে, কিন্তু প্রত্যক্ষভাবে ব্যবসায়ের দৈনন্দিন পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে না, তাকে ঘুমন্ত বা সুপ্ত অংশীদার বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অংশীদারি ব্যবসায়ের স্থায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে অংশীদারদের পারস্পরিক বিশ্বাস, আস্থা এবং ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এটি সহজে বিলুপ্ত হয়। আইনের দৃষ্টিতে এ ব্যবসায়ের কোনো পৃথক কৃত্রিম সত্তা নেই। ফলে যেকোনো একজন অংশীদারের মৃত্যু, মস্তিষ্কবিকৃতি, দেউলিয়া হওয়া বা পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি দেখা দিলে অথবা কোনো অংশীদার ব্যবসায় ত্যাগ করতে চাইলে খুব সহজেই অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপ ঘটে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে মি. 'ক' হলেন একজন কর্মী অংশীদার (Working Partner)।

    যে অংশীদার অংশীদারি কারবারে কোনো মূলধন বিনিয়োগ করে না, কিন্তু নিজের দক্ষতা, মেধা বা শ্রম দিয়ে সক্রিয়ভাবে ব্যবসায়ের সার্বিক পরিচালনা ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে, তাকে কর্মী অংশীদার বলা হয়। চুক্তি অনুযায়ী এরা সাধারণত নির্দিষ্ট বেতন বা মুনাফার একটি অংশ পেয়ে থাকে।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. ক, খ ও গ-এর পারস্পরিক সমঝোতা মোতাবেক মি. 'ক' ব্যবসায় কোনো পুঁজি বা মূলধন বিনিয়োগ করবেন না, তবে তিনি ব্যবসায় পরিচালনায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করবেন। মূলধন ছাড়া শুধু শ্রম ও মেধা দিয়ে কারবার পরিচালনায় অংশগ্রহণের এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই মি. 'ক' একজন কর্মী অংশীদার।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অংশীদারি প্রতিষ্ঠানটি নিবন্ধিত না হওয়ার কারণে অংশীদাররা পাওনা আদায়ে আদালতে আশ্রয় নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

    ১৯৩২ সালের ভারতীয় অংশীদারি আইন অনুসারে অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়, তবে অনিবন্ধিত অংশীদারি প্রতিষ্ঠান আইনগতভাবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। আইনের ৬৯ ধারা মোতাবেক, কোনো অনিবন্ধিত অংশীদারি প্রতিষ্ঠান তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে ১০০ টাকার বেশি পাওনা আদায়ের জন্য আদালতে মামলা বা আইনগত প্রতিকার দাবি করতে পারে না।

    উদ্দীপকে মি. ক, খ ও গ পারস্পরিক সমঝোতায় ১৯৩২ সালের আইন অনুসারে প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললেও প্রতিষ্ঠানটি নিবন্ধিত করার কোনো উল্লেখ নেই। দেনাদার মি. 'ঘ'-এর নিকট পাওনা ৫০,০০০ টাকা আদায়ের জন্য তারা আদালতে আশ্রয় নিয়ে ব্যর্থ হয়। যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি নিবন্ধন করায়নি এবং পাওনার পরিমাণ ১০০ টাকার বেশি (৫০,০০০ টাকা), তাই আইন অনুযায়ী অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণে আদালত তাদের মামলা গ্রহণ করেনি বা আইনগত প্রতিকার প্রদান করেনি।

    সুতরাং, অংশীদারি প্রতিষ্ঠানটির যথাযথ নিবন্ধন না থাকার ফলেই অংশীদাররা দেনাদারের বিরুদ্ধে পাওনা আদায়ে আদালতে সফল হতে পারেনি।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন