যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৩

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

রাসেল বলল, ভোগাই নদীর ওপর একটি ব্রিজ যতবার নির্মাণ করা হয়েছে ততবার ভেঙে পড়েছে। তারপর ছাগল বলিদানের পর ব্রিজটি আর ভেঙে পড়েনি। এ কথা শুনে লাজু বলল, আসলে ব্রিজটি যথাযথ পাইলিং, কারিগরি ত্রুটি ও সঠিক উপকরণের অভাবে ভেঙে পড়েছে।

  1. ক)

    ব্যাখ্যা কী?

    (1)
  2. খ)

    পরমতম নিয়মের ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে লাজুর বক্তব্যটি কোন ধরনের ব্যাখ্যার ইঙ্গিত দেয় তা ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে রাসেল ও লাজুর বক্তব্যে ইঙ্গিতকৃত ব্যাখ্যার মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো দুর্বোধ্য, জটিল বা অস্পষ্ট বিষয়কে সহজ, সরল ও বোধগম্য করে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পরমতম নিয়মের চেয়ে ব্যাপকতর কোনো নিয়ম প্রকৃতিতে নেই বলে এর ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। ব্যাখ্যা করার অর্থ হলো কোনো কম ব্যাপক নিয়মকে অপেক্ষাকৃত অধিক ব্যাপক নিয়মের অধীনে এনে প্রকাশ করা। যেহেতু পরমতম নিয়মগুলো স্বতঃসিদ্ধ এবং এদের কোনো ঊর্ধ্বতন বা অধিক ব্যাপক নিয়ম নেই, তাই এদের আর কোনো নিয়ম দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে লাজুর বক্তব্যটি 'বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা'র ইঙ্গিত দেয়।

    কোনো ঘটনার অন্তর্নিহিত কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করে প্রাকৃতিক নিয়মের সাহায্যে ঘটনাটিকে সহজ-সরলভাবে তুলে ধরাকে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বলে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় কোনো কুসংস্কার, অলৌকিক বিশ্বাস বা কাল্পনিক ধারণার স্থান নেই।

    উদ্দীপকে লাজু ব্রিজটি ভেঙে পড়ার কারণ হিসেবে যথাযথ পাইলিংয়ের অভাব, কারিগরি ত্রুটি ও সঠিক উপকরণের অভাবকে চিহ্নিত করেছে। এগুলো বস্তুনিষ্ঠ, বিজ্ঞানসম্মত এবং কার্যকারণ নিয়মের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সুতরাং, লাজুর বক্তব্যটি যুক্তিযুক্তভাবে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে রাসেলের বক্তব্য লৌকিক ব্যাখ্যা এবং লাজুর বক্তব্য বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার অন্তর্ভুক্ত। এ দুটির তুলনামূলক আলোচনা নিচে তুলে ধরা হলো:

    ১. ভিত্তি: রাসেলের ধারণা অতিপ্রাকৃতিক বিশ্বাস ও কুসংস্কারের ওপর প্রতিষ্ঠিত (ছাগল বলিদানের কারণে ব্রিজ টেকসই হওয়া), যা লৌকিক ব্যাখ্যার বৈশিষ্ট্য। পক্ষান্তরে, লাজুর ব্যাখ্যাটি বাস্তব তথ্য, প্রযুক্তিগত কারণ ও কার্যকারণ সম্পর্কের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার ভিত্তি।

    ২. সর্বজনীনতা: বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এবং সার্বজনীন। লাজুর বিশ্লেষণ যেকোনো বিজ্ঞানমনস্ক ব্যক্তি সমর্থন করবেন। কিন্তু রাসেলের কুসংস্কারপূর্ণ লৌকিক ব্যাখ্যা সর্বজনগ্রাহ্য নয়।

    ৩. যাচাইযোগ্যতা: রাসেলের ব্যাখ্যার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বা সত্যতা যাচাইয়ের সুযোগ নেই। অপরদিকে লাজুর দেওয়া কারণগুলো কারিগরি পরীক্ষার মাধ্যমে সহজেই যাচাই করা সম্ভব।

    সুতরাং বলা যায়, রাসেলের বক্তব্য ত্রুটিপূর্ণ ও অজ্ঞতাপ্রসূত লৌকিক ব্যাখ্যা এবং লাজুর বক্তব্য বস্তুনিষ্ঠ, যৌক্তিক ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন