যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

দৃশ্যকল্প-১: সক্রেটিস হয় জ্ঞানী।এরিস্টটল হয় জ্ঞানী প্লেটো হয় জ্ঞানীঅতএব, সকল দার্শনিক হয় জ্ঞানী। দৃশ্যকল্প-২: আমি এ যাবৎ যত আফ্রিকার মানুষ দেখেছি তারা সবাই কালো বর্ণের। অতএব, আফ্রিকার সব মানুষ হয় কালো।

  1. ক)

    প্রকৃত আরোহ কী?

    (1)
  2. খ)

    আরোহমূলক লম্ফকে আরোহের প্রণা বলা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-১ এ নির্দেশিত আরোহের বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখো।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এ নির্দেশিত অনুমান দুটির পার্থক্য বর্ণনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে আরোহ প্রক্রিয়ায় আরোহমূলক লম্ফ বর্তমান থাকে, তাকে প্রকৃত আরোহ বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আরোহমূলক লম্ফ বলতে জানা থেকে অজানায়, বিশেষ থেকে সার্বিকে বা নিরীক্ষিত থেকে অনিরীক্ষিত বিষয়ে উত্তরণকে বোঝায়। যুক্তিবিদ মিলের মতে, আরোহমূলক লম্ফই হলো আরোহ অনুমানের মূল বা সারধর্ম। এর উপস্থিতি ছাড়া আরোহের যথার্থ সার্বিক সংশ্লেষক সিদ্ধান্ত স্থাপন সম্ভব নয়। তাই আরোহমূলক লম্ফকে আরোহের প্রাণ বা মূল বৈশিষ্ট্য বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-১-এ বৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশ করা হয়েছে (এখানে কার্যকারণ সম্পর্ক ও প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির ওপর ভিত্তি করে দার্শনিকদের জ্ঞান সম্পর্কে সার্বিক সিদ্ধান্ত টানা হয়েছে)।
    বৈজ্ঞানিক আরোহের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
    ১. সার্বিক যুক্তিবাক্য প্রতিষ্ঠা: এর সিদ্ধান্তটি সর্বদা একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য হয়।
    ২. আরোহমূলক লম্ফের উপস্থিতি: জানা বিশেষ দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে অজানায় উত্তরণের প্রক্রিয়া এতে বিদ্যমান।
    ৩. বাস্তবানুগ সত্যতা: এটি কেবল আকারগত সত্যতা নয়, বরং বস্তুগত সত্যতাও প্রতিষ্ঠা করে।
    ৪. প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা ও কার্যকারণ নিয়ম: এটি প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি এবং কার্যকারণ নিয়মের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-১ এ বৈজ্ঞানিক আরোহ এবং দৃশ্যকল্প-২ এ অবৈজ্ঞানিক আরোহ নির্দেশ করা হয়েছে। এদের মধ্যে প্রধান পার্থক্যসমূহ হলো:
    ১. কার্যকারণ সম্পর্ক: বৈজ্ঞানিক আরোহে ঘটনাগুলোর মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কারের চেষ্টা থাকে। অন্যদিকে, অবৈজ্ঞানিক আরোহে কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা হয় না, কেবল অবাধ অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
    ২. সিদ্ধান্তের নিশ্চয়তা: বৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত সুনিশ্চিত হয়; কিন্তু অবৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত কেবল সম্ভাবনাময় হয়, কারণ একটি বিপরীত দৃষ্টান্ত পেলেই তা ভুল প্রমাণিত হতে পারে।
    ৩. ভিত্তি: বৈজ্ঞানিক আরোহ প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়ম উভয়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত। পক্ষান্তরে, অবৈজ্ঞানিক আরোহ কেবল প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির ওপর নির্ভর করে, কার্যকারণ নিয়মের ওপর নয়।
    ৪. নিরীক্ষণ প্রক্রিয়া: বৈজ্ঞানিক আরোহে সুপরিকল্পিত নিরীক্ষণ ও পরীক্ষণ ব্যবহৃত হয়, কিন্তু অবৈজ্ঞানিক আরোহে সাধারণ ও দৈনন্দিন প্রত্যক্ষণের সহায়তা নেওয়া হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন