পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
- খ)(2)
প্রতিবন্ধীর ধারণা ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে কোন দেশের সংবিধানকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত সংবিধানের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিবন্ধী বলতে এমন ব্যক্তিদের বোঝায় যারা শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিগত বা ইন্দ্রিয়গত কোনো দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ী ক্ষতির কারণে সমাজের স্বাভাবিক কার্যকলাপে অন্যদের মতো সমানভাবে এবং পূর্ণাঙ্গরূপে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। জন্মগতভাবে বা কোনো দুর্ঘটনাজনিত কারণে অঙ্গহানি, দৃষ্টিহীনতা, বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধকতা কিংবা মানসিক ভারসাম্যহীনতার শিকার ব্যক্তিরাই সাধারণত প্রতিবন্ধী হিসেবে চিহ্নিত হন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বাংলাদেশের সংবিধানকে নির্দেশ করা হয়েছে।
উদ্দীপকের ছকে দেখা যাচ্ছে তিনটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হয়েছে—১. লিখিত সংবিধান, ২. সংসদীয় সরকার এবং ৩. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। এই বৈশিষ্ট্যগুলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধান একটি লিখিত দলিল, যা সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন করে এবং যার দ্বিতীয় ভাগে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাসহ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ সুস্পষ্টভাবে সন্নিবেশিত রয়েছে। তাই উদ্দীপকের প্রশ্নবোধক চিহ্নে বাংলাদেশের সংবিধানের কথাই নির্দেশ করা হয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত সংবিধানটি হলো বাংলাদেশের সংবিধান (১৯৭২)। নিম্নে এর প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ বিশ্লেষণ করা হলো:
১. লিখিত সংবিধান: বাংলাদেশের সংবিধান একটি লিখিত ও সুনির্দিষ্ট দলিল। এতে একটি প্রস্তাবনা, ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ এবং ৭টি তফসিল রয়েছে।
২. দুষ্পরিবর্তনীয়তা: এটি একটি দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান। জাতীয় সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের মাধ্যমেই কেবল এর কোনো ধারা বা অনুচ্ছেদ সংশোধন করা যায়।
৩. সংসদীয় পদ্ধতির সরকার: সংবিধানে ইংল্যান্ডের মতো মন্ত্রিপরিষদ শাসিত বা সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান এবং মন্ত্রিসভা সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
৪. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি: সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
৫. মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা: সংবিধানের তৃতীয় ভাগে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত এবং এর নিশ্চয়তা বিধানে সুপ্রিম কোর্টকে অভিভাবক হিসেবে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
৬. এককেন্দ্রীক শাসন: বাংলাদেশ একটি একক ও অবিভাজ্য স্বাধীন সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র। ফলে এখানে কোনো প্রাদেশিক বা অঙ্গরাজ্য ব্যবস্থা নেই, একটি কেন্দ্রীয় সরকার সমগ্র দেশ পরিচালনা করে।
৭. এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা: জাতীয় সংসদ এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা হিসেবে গঠিত, যা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়।
৮. সংবিধানের সর্বোচ্চতা: সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন।
পরিশেষে বলা যায়, এসব বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে বাংলাদেশের সংবিধান একটি জনকল্যাণকামী ও প্রগতিশীল দলিল হিসেবে স্বীকৃত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও