পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২১
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
মুনমুনের জন্মগতভাবে একটি পা খোঁড়া। ক্রাচের সাহায্যে সে চলাচল করে। দরিদ্র পিতা মাতার সন্তান হয়ে সে অতি কষ্টে জীবন অতিবাহিত করছে। কিন্তু সে পড়াশোনায় বেশ মনোযোগী। পড়ালেখা শেষ করে সে আত্মনির্ভরশীল হতে ইচ্ছুক।
- ক)(1)
AIDS- এর পূর্ণরূপ কী?
- খ)(2)
জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত মুনমুন কোন ধরনের প্রতিবন্ধী? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে মুনমুনের মতো জনগোষ্ঠীর সমস্যা সমাধানের উপায়গুলো আলোচনা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
AIDS-এর পূর্ণরূপ হলো Acquired Immune Deficiency Syndrome।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কোনো অঞ্চল বা সমগ্র পৃথিবীর আবহাওয়া ও জলবায়ুর দীর্ঘমেয়াদি (সাধারণত ৩০ বছর বা তার বেশি সময় ধরে) রূপান্তর বা গড় অবস্থার পরিবর্তনকে বোঝায়। প্রাকৃতিক কারণ ছাড়াও মূলত মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড যেমন—জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, বন উজাড় ইত্যাদি কারণে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ছে এবং এর ফলে সামগ্রিক জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটছে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত মুনমুন শারীরিক প্রতিবন্ধী।
যেসব ব্যক্তি জন্মগতভাবে, রোগব্যাধি বা দুর্ঘটনার কারণে হাত, পা বা শরীরের অন্য কোনো অঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা বা কাজকর্মে বাধার সম্মুখীন হয়, তাদের শারীরিক প্রতিবন্ধী বলা হয়।
উদ্দীপকের মুনমুনের জন্মগতভাবে একটি পা খোঁড়া এবং সে ক্রাচের সাহায্যে চলাচল করে। তার শরীরের এই অঙ্গের অকার্যকারিতার কারণে সে চলাফেরায় সাধারণ মানুষের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। শারীরিক অঙ্গের সীমাবদ্ধতার কারণে মুনমুন একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী হিসেবে চিহ্নিত হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মুনমুনের মতো প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর সমস্যা সমাধানের উপায়গুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
১. বিশেষ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: প্রতিবন্ধীদের চাহিদা উপযোগী বিশেষ শিক্ষাব্যবস্থা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যাতে তারা নিজেদের দক্ষ করে তুলতে পারে।
২. কর্মসংস্থান ও কোটা সুবিধা: সরকারি ও বেসরকারি খাতে প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা সংরক্ষণ এবং তাদের শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
৩. সহজ যাতায়াত ও অবকাঠামো সুবিধা: গণপরিবহন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে র্যাম্প স্থাপনসহ প্রতিবন্ধীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা যাতে তারা ক্রাচ বা হুইলচেয়ারে সহজে চলাচল করতে পারে।
৪. আর্থিক সহায়তা ও ঋণ প্রদান: দরিদ্র প্রতিবন্ধী পরিবারগুলোকে মাসিক ভাতা প্রদান এবং মুনমুনের মতো আগ্রহীদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য সহজ শর্তে বা সুদমুক্ত ঋণ প্রদান করা।
৫. সামাজিক সচেতনতা ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি: পরিবার ও সমাজে তাদের বোঝা না ভেবে সমাজের মূলধারার অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা।উপযুক্ত সুযোগ-সুবিধা ও সহানুভূতিশীল পরিবেশ পেলে প্রতিবন্ধীরাও স্বাবলম্বী হয়ে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও