যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৫

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

দৃশ্যকল্প-১: আচারকে মিষ্টি আচার, টক আচার, ঝাল আচার ও আমের ভাগ কর। দৃশ্যকল্প-২: দৃশ্যকে মনোরম ও অমনোরম এই দুই ভাগে ভাগ কর।

  1. ক)

    অতিব্যাপক বিভাগ কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    প্রেম, বিরহ, আনন্দ, বেদনা প্রভৃতি প্রত্যয়গুলোর যৌস্তিক বিভাগ করা যায় না কেন?

    (2)
  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-১ কোন ধরনের অনুপপত্তি দোষে দুষ্ট- ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-২ কোন ধরনের বিভাগ প্রক্রিয়া? পাঠ্যপুস্তকের আলোকে এর সুবিধা- অসুবিধাসমূহ লেখো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যৌক্তিক বিভাগের ক্ষেত্রে বিভাজ্য মূল জাতির ব্যক্ত্যর্থ অপেক্ষা উপজাতিগুলোর মিলিত ব্যক্ত্যর্থ বেশি হলে যে অনুপপত্তি ঘটে, তাকে অতিব্যাপক বিভাগ অনুপপত্তি বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রেম, বিরহ, আনন্দ, বেদনা প্রভৃতি মানসিক বা ভাবগত প্রত্যয়গুলো কোনো বস্তুগত বা বাস্তব জাতিবাচক পদ নয়, বরং গুণবাচক বা ভাববাচক ধারণা। যৌক্তিক বিভাগের মূল নিয়ম হলো কেবল একটি শ্রেণি বা জাতিকে তার অন্তর্গত উপজাতিসমূহে বিভক্ত করা যায়, কোনো গুণ বা বিমূর্ত মানসিক অবস্থাকে যৌক্তিক নিয়মানুসারে বিভক্ত করা সম্ভব নয়। তাই প্রেম, বিরহ, আনন্দ প্রভৃতির যৌক্তিক বিভাগ করা যায় না।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-১ এ আচারকে মিষ্টি আচার, টক আচার, ঝাল আচার ও 'আমের আচার' (আমের) হিসেবে ভাগ করা হয়েছে। এটি 'পরস্পরাঙ্গী বিভাগ' বা 'সংকর বিভাগ অনুপপত্তি' (Cross Division Fallacy) দোষে দুষ্ট।

    যৌক্তিক বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, একই সময়ে কেবল একটিমাত্র মূলসূত্র বা নীতি গ্রহণ করে বিভাগ করতে হয়। কিন্তু দৃশ্যকল্প-১ এ একই সাথে দুটি ভিন্ন মূলসূত্র ব্যবহার করা হয়েছে—একটি হলো আচারের 'স্বাদ' (মিষ্টি, টক, ঝাল) এবং অন্যটি হলো আচারের 'উপাদান' (আম)। একই বিভাগের মধ্যে একাধিক নীতি প্রয়োগ করার কারণে বিভাগটি সংকর বা ক্রস বিভাগে পরিণত হয়েছে এবং উপজাতিগুলো পরস্পর বিচ্ছেদক হয়নি। ফলে এটি সংকর বিভাগ অনুপপত্তি ঘটিয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-২ এ দৃশ্যকে 'মনোরম' ও 'অমনোরম' এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এটি একটি 'দ্বিকোটিক বিভাগ' (Dichotomy) প্রক্রিয়া।

    দ্বিকোটিক বিভাগের সুবিধা ও অসুবিধা নিচে আলোচনা করা হলো:

    সুবিধাসমূহ:
    ১. দ্বিকোটিক বিভাগ মূলত বিরোধ বা নিয়মানুগ চিন্তার ওপর প্রতিষ্ঠিত (A এবং Non-A), ফলে এতে অতিব্যাপক, অব্যাপক বা সংকর বিভাগ অনুপপত্তি ঘটার কোনো অবকাশ থাকে না।
    ২. এর মাধ্যমে অত্যন্ত নিশ্চিত ও সুনির্দিষ্টভাবে যেকোনো জাতিকে পরস্পরবিরোধী দুটি ভাগে বিভক্ত করা যায়।

    অসুবিধাসমূহ:
    ১. নেতিবাচক পদটির (যেমন: অমনোরম) পরিধি অত্যন্ত অনির্দিষ্ট ও ব্যাপক, যার কারণে বাস্তব ক্ষেত্রে জ্ঞান লাভ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
    ২. বাস্তব জগতের বহু বিচিত্র বৈশিষ্ট্যকে শুধুমাত্র ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুটি মাত্র অংশে বিভক্ত করা অনেক ক্ষেত্রে কৃত্রিম ও অবাস্তব রূপ ধারণ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন