ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৬

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

'X' বাংলাদেশের একটি অনুন্নত অঞ্চল। অবকাঠামোগত অন্যান্য অসুবিধার জন্য ওই অঞ্চলে উল্লেখ করার মতো কোনো মিল-কারখানা গড়ে ওঠে নি। তাই শুধু মুনাফার কথা না ভেবে দেশের সুষম উন্নয়নের জন্য 'X' অঞ্চলে মিল-কারখানা গড়ে তোলার বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

  1. ক)

    সামাজিক ব্যবসায় কী?

    (1)
  2. খ)

    'বীমা হচ্ছে সদ্বিশ্বাসের চুক্তি'— ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    মালিকানার ভিত্তিতে 'X' অঞ্চলে কোন ধরনের ব্যবসায় সংগঠন উপযোগী? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    'X' অঞ্চলে পরিকল্পিত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মুখ্য উদ্দেশ্যই হবে জনকল্যাণ— উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সামাজিক কোনো সমস্যা দূরীকরণ বা দারিদ্র্য দূরীকরণের উদ্দেশ্যে মুনাফাহীনভাবে গঠিত ও পরিচালিত ব্যবসাকে সামাজিক ব্যবসায় (Social Business) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বীমা চুক্তিকে পরম সদ্বিশ্বাসের চুক্তি বলা হয়, কারণ এতে বীমাকারী ও বীমাগ্রহীতা উভয়েরই একে অপরের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বস্ততা বজায় রাখা আবশ্যক। এই চুক্তিতে বীমাগ্রহীতা বীমাকৃত বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সব সত্য তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য থাকেন এবং কোনো তথ্য গোপন বা মিথ্যাচার করলে চুক্তিটি বাতিল বলে গণ্য হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মালিকানার ভিত্তিতে 'X' অঞ্চলে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় বা সরকারি মালিকানাধীন ব্যবসায় সংগঠন স্থাপন সর্বাধিক উপযোগী।

    যে ব্যবসায় সরকারের প্রত্যক্ষ উদ্যোগে বা মালিকানায় গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়, তাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় বলে। বেসরকারি উদ্যোক্তারা সাধারণত অধিক মুনাফার আশায় অনুন্নত অঞ্চলের ঝুঁকি এড়িয়ে চলতে চান। কিন্তু রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের মূল লক্ষ্য থাকে দেশের সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণ।

    উদ্দীপকের 'X' অঞ্চলটি অনুন্নত এবং অবকাঠামোগত অসুবিধার কারণে বেসরকারি পর্যায়ে কোনো মিল-কারখানা গড়ে ওঠেনি। তাই অঞ্চলটির সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এবং অবকাঠামোগত ঘাটতি দূর করে শিল্পায়নের গতি আনতে রাষ্ট্রীয় বা সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাই সবচেয়ে উপযুক্ত কৌশল।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'X' অঞ্চলে পরিকল্পিত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মুখ্য উদ্দেশ্যই হবে জনকল্যাণ— উদ্দীপকের প্রেক্ষাপটে বক্তব্যটি যথার্থ।

    ব্যবসায়ের সাধারণ প্রধান উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন হলেও রাষ্ট্রীয় ব্যবসা বা সামাজিক উদ্যোগের মূল লক্ষ্য থাকে জনকল্যাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক বৈষম্য দূরীকরণ। অনুন্নত অঞ্চলে শিল্পকারখানা স্থাপন করে স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করাই এ ধরনের উদ্যোগের প্রায়োরিটি।

    উদ্দীপকে উল্লেখিত 'X' অঞ্চলে অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে কোনো উল্লেখযোগ্য শিল্প গড়ে ওঠেনি। তাই শুধু মুনাফার কথা চিন্তা না করে দেশের সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশেষ পরিকল্পনার আওতায় মিল-কারখানা স্থাপনের কথা ভাবা হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগের ফলে স্থানীয় অনুন্নত জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান হবে, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নত হবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস পাবে।

    অতএব, যেহেতু উদ্যোগটি নিছক ব্যক্তিস্বার্থ বা আর্থিক মুনাফার পরিবর্তে সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া হচ্ছে, তাই এর মুখ্য উদ্দেশ্য নিশ্চিতভাবেই জনকল্যাণ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন