পরিসংখ্যান ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, যশোর, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮

পরিসংখ্যান ১ম পত্র প্রশ্ন

বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাসমূহ পরিসংখ্যানিক তথ্য সংগ্রহ করে এবং প্রকাশ করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো হলো বাংলাদেশে পরিসংখ্যান কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রধান সংস্থা। তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত পরিসংখ্যানের যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

  1. ক)

    সরকারি পরিসংখ্যান কী?

    (1)
  2. খ)

    'সঠিক তথ্যের অভাবই বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বড় সীমাবদ্ধতা'- ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সীমাবদ্ধতাসমূহ আলোচনা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে তোমার সুপারিশসমূহ কী হতে পারে? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সরকারের বিভিন্ন বিভাগ, দপ্তর বা সংস্থা কর্তৃক তাদের প্রশাসনিক, নীতি নির্ধারণী বা গবেষণার উদ্দেশ্যে সংগৃহীত, প্রক্রিয়াজাত ও প্রকাশিত পরিসংখ্যানকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা ও যথার্থতার অভাব। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহকারী গণনাকারীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, দক্ষতা ও আন্তরিকতার ঘাটতি থাকে। পাশাপাশি উত্তরদাতাদের অজ্ঞতা, সচেতনতার অভাব এবং সঠিক তথ্য প্রকাশে অনিচ্ছার কারণে ভুল তথ্য অন্তর্ভুক্ত হয়। প্রাথমিক স্তরেই সঠিক তথ্য পাওয়া না গেলে সামগ্রিক পরিসংখ্যান ত্রুটিপূর্ণ হয়ে পড়ে, যা ভুল নীতি প্রণয়নে পরিচালিত করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের প্রধান সীমাবদ্ধতাসমূহ নিচে আলোচনা করা হলো:
    ১. তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার অভাব: মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের সময় অসাবধানতা ও উত্তরদাতাদের অসচেতনতার কারণে সংগৃহীত তথ্য প্রায়শই অসম্পূর্ণ বা ভুল হয়।
    ২. দক্ষতার অভাব: পরিসংখ্যানিক কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও গণনাকারীদের আধুনিক পরিসংখ্যান পদ্ধতি ও কম্পিউটার প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব রয়েছে।
    ৩. তথ্য প্রকাশের দীর্ঘসূত্রতা: সরকারি পরিসংখ্যান প্রস্তুত ও প্রকাশে অতিরিক্ত সময়ক্ষেপণ হয়, যার ফলে প্রকাশিত তথ্য সমসাময়িক নীতি নির্ধারণে কার্যকারিতা হারায়।
    ৪. সমন্বয়ের অভাব: পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাথে অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি গবেষণা সংস্থার তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয়ের ঘাটতি থাকে।
    ৫. আধুনিক প্রযুক্তির সীমিত ব্যবহার: উপাত্ত সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণে পুরোপুরি ডিজিটাল বা অনলাইনভিত্তিক ব্যবস্থার প্রয়োগ এখনো সীমিত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের মান ও উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে নিম্নরূপ সুপারিশসমূহ প্রদান করা যেতে পারে:
    ১. দক্ষ জনবল তৈরি ও প্রশিক্ষণ: তথ্য সংগ্রহকারী ও গবেষকদের আধুনিক পরিসংখ্যানিক পদ্ধতি, ডেটা সায়েন্স এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে নিয়মিত উচ্চতর প্রশিক্ষণ দেওয়া আবশ্যক।
    ২. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার: ম্যানুয়াল পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল ডিভাইস, মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করা।
    ৩. দ্রুত প্রকাশনা: দীর্ঘসূত্রতা দূর করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দ্রুত তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রতিবেদন প্রকাশ করা।
    ৪. গণসচেতনতা বৃদ্ধি: উত্তরদাতাদের মধ্যে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব বোঝাতে প্রচারণা চালানো, যেন তারা নির্ভুল ও সঠিক তথ্য প্রদানে উৎসাহিত হন।
    ৫. সমন্বয় সাধন: পরিসংখ্যান ব্যুরো ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/সংস্থার মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ গড়ে তোলা।
    পরিশেষে বলা যায়, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তির প্রয়োগ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই দেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হতে পারে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন