অর্থনীতি ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩
অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন
ফয়সাল সাহেব একজন খ্যাতনামা ব্যবসায়ী। তিনি দ্রব্য সামগ্রী দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করেন। তিনি ব্যবসা প্রসারের জন্য সরকারের কাছে শুল্ক রেয়াত,কাঁচামাল আমদানি নীতি উদারীকরণ, আয়কর সুবিধাসহ বিদ্যুতের দাম হ্রাসের ব্যবস্থা জানান।
- ক)(1)
বিশ্বায়ন কাকে বলে?
- খ)(2)
প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ উন্নয়নের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ - ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
ফয়সল সাহেবের বাণিজ্য কোন ধরনের? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উদ্দীপকের গৃহীত পদক্ষেপগুলো ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে - বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আন্তঃসংযোগ, অবাধ যোগাযোগ ও মুক্ত বাণিজ্যের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বের একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বিশ্বায়ন বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (Foreign Direct Investment - FDI) একটি দেশের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমে দেশে সরাসরি নতুন মূলধন আসে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও উৎপাদন ব্যবস্থার হস্তান্তর ঘটে এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। তাছাড়া FDI দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপকীয় দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং অবকাঠামোগত ও শিল্প উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ফয়সল সাহেবের বাণিজ্য হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্তর্ভুক্ত ‘রপ্তানি বাণিজ্য’ (Export Trade)।
এক স্বাধীন সার্বভৌম দেশের সাথে অন্য কোনো স্বাধীন দেশের সীমানা অতিক্রম করে দ্রব্য ও সেবা সামগ্রীর লেনদেন সংঘটিত হলে তাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বলে। এর মধ্যে যখন কোনো দেশ নিজ ভূখণ্ডে উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী অন্য কোনো স্বাধীন দেশের বাজারে বা ক্রেতার কাছে বিক্রয় ও প্রেরণ করে, তখন তাকে রপ্তানি বাণিজ্য বলা হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, ব্যবসায়ী ফয়সল সাহেব দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন করেন এবং তা বিদেশে বিক্রি বা রপ্তানি করেন। দেশের সীমানা অতিক্রম করে বিদেশে পণ্য বিক্রির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের এ প্রক্রিয়াটি সরাসরি রপ্তানি বাণিজ্যকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উদ্দীপকে ফয়সল সাহেবের চাহিদামাফিক সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ অত্যন্ত ইতিবাচক ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত পদক্ষেপগুলো হলো শুল্ক রেয়াত, কাঁচামাল আমদানি নীতি উদারীকরণ, আয়কর সুবিধা এবং বিদ্যুতের দাম হ্রাস। এ পদক্ষেপগুলোর প্রভাব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. উৎপাদন ব্যয় হ্রাস: কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক রেয়াত বা উদার নীতি এবং বিদ্যুতের মূল্য কমিয়ে দিলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক উৎপাদন খরচ বহুলাংশে কমে যায়।
২. আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি: উৎপাদন ব্যয় কম হলে উৎপাদিত পণ্যের রপ্তানি মূল্য কম নির্ধারণ করা সম্ভব হয়, ফলে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক বাজারে দেশীয় পণ্যের চাহিদা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।
৩. মুনাফা ও পুনঃবিনিয়োগ বৃদ্ধি: আয়কর সুবিধাসহ অন্যান্য আর্থিক প্রণোদনা উদ্যোক্তাদের মুনাফার হার বৃদ্ধি করে, যা নতুন বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করে।অতএব, এসব সহায়ক নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হলে রপ্তানিকারকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের সামগ্রিক রপ্তানি আয়ে গতি সঞ্চারিত হবে। তাই বলা যায়, পদক্ষেপগুলো রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও