DU • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান ইউনিট (বিভাগ পরিবর্তন) ভর্তি পরীক্ষা ২০২৪-২০২৫

প্রশ্ন ও সমাধান

সংজ্ঞা দাও: স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন, উপসর্গ, জটিল বাক্য, অপিনিহিতি

উত্তর ও ব্যাখ্যা

(৩)
১. স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: যে ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা মুখগহ্বরের কোনো স্থান স্পর্শ করে এবং বায়ুপ্রবাহ মুহূর্তের জন্য বাধা পেয়ে মুক্তি পায়, তাকে স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন বলে। যেমন: ক-বর্গ থেকে প-বর্গ পর্যন্ত (ক থেকে ম) ২৫টি বর্ণ — ক, খ, গ, ঘ, চ, ছ, ট, ত, প ইত্যাদি। এদের স্পর্শবর্ণও বলা হয়।

২. উপসর্গ: যেসব অব্যয়সূচক শব্দাংশ স্বাধীন পদরূপে ব্যবহৃত হয় না, কিন্তু অন্য শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গঠন করে বা শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটায়, তাদের উপসর্গ বলে। যেমন: প্র + কাশ = প্রকাশ, অ + সত্য = অসত্য, আ + কাশ = আকাশ।

৩. জটিল বাক্য: যে বাক্যে একটি প্রধান বাক্যাংশ (খণ্ডবাক্য) এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্যাংশ পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে। যেমন: যিনি সৎ, সকলে তাঁকে শ্রদ্ধা করে। / যদি পরিশ্রম কর, তবে সফল হবে।

৪. অপিনিহিতি: শব্দ মধ্যস্থ ই-কার বা উ-কার (ই/উ ধ্বনি) যদি নির্দিষ্ট স্থানের আগেই উচ্চারিত হয়ে যায়, তবে তাকে অপিনিহিতি বলে। যেমন: আজি > আইজ, কালি > কাইল, সাধু > সাউধ, রাখিয়া > রাইখ্যা।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন