বাংলা ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৯

বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন

11.1.

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সম্প্রতি অর্জিত কোনো সাফল্য সম্পর্কে দুই বন্ধুর সংলাপ রচনা করো।

11.2.

‘বিপদে বন্ধুর পরিচয়’ শিরোনামে একটি খুদেগল্প লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা

AI-তৈরি নমুনা উত্তর

১১.১. সংলাপ: বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাফল্য প্রসঙ্গে দুই বন্ধুর আলোচনা

(স্থান: বিদ্যালয়ের মাঠ, পাত্র: তানভীর ও রাফি)

তানভীর: কেমন আছিস রাফি? গতকালের ম্যাচটা দেখেছিলি?
রাফি: হ্যাঁ দোস্ত, খুব ভালো আছি! আর গতকালের ম্যাচ তো অসাধারণ ছিল! বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের এই দুর্দান্ত জয় দেখে মনটা ভরে গেল।
তানভীর: ঠিক বলেছিস। বিশেষ করে দলের দলগত পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। চাপের মুখে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ইনিংস আর শেষ দিকে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ম্যাচটি আমাদের পক্ষে নিয়ে এসেছে।
রাফি: একদম সত্যি। তরুণ ক্রিকেটারদের লড়াকু মনোভাব আর সিনিয়রদের অভিজ্ঞতা মিলে বাংলাদেশ দল এখন যেকোনো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকেই পরাজিত করার সামর্থ্য রাখে।
তানভীর: হ্যাঁ, ফিল্ডিংয়েও দল দারুণ উন্নতি করেছে। প্রতিটি রান বাঁচানোর যে ক্ষুধা সবার মাঝে ছিল, সেটাই জয়ের পথ সহজ করেছে।
রাফি: এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে ভবিষ্যতে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ আরও বড় বড় ট্রফি জিতবে বলে আমার বিশ্বাস।
তানভীর: নিশ্চয়ই। চলো, আমরাও তাদের শুভকামনা জানাই। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দল আরও এগিয়ে যাক!
রাফি: অবশ্যই। চলো ক্লাসে যাই।


অথবা,

১১.২. খুদেগল্প: বিপদে বন্ধুর পরিচয়

সাকিব ও অনিক ছোটবেলা থেকেই হরিহর আত্মা। একই গ্রামে বাস, একই কলেজে পড়াশোনা। কলেজে সাকিবের আর্থিক অবস্থা ভালো হলেও অনিকের পরিবার ছিল টানাপোড়েনের মধ্যে। তবে সাকিবের আন্তরিকতায় কখনোই তাদের বন্ধুত্বে প্রাচীর তৈরি হয়নি।

এইচএসসি পরীক্ষার মাত্র এক মাস আগে অনিকের বাবা হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে বেশ কিছু অর্থের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। অনিক দিশেহারা হয়ে নিকটাত্মীয় ও পরিচিত অনেকের দ্বারে দ্বারে ঘুরল, কিন্তু সবাই নানা অজুহাতে ফিরিয়ে দিল। আশার আলো যখন নিভে যাচ্ছিল, অনিকের চোখে তখন শুধুই অন্ধকার।

খবর পেয়ে সাকিব দ্রুত হাসপাতালে এসে উপস্থিত হলো। সে অনিককে সান্ত্বনা দিয়ে নিজের জমানো টাকা এবং পরিবারের সহযোগিতায় চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচ জোগাড় করে দিল। দিন-রাত সাকিবের পাশে থেকে রক্তদান ও সেবার ব্যবস্থা করল। সাকিবের এই নিঃস্বার্থ সহায়তায় অনিকের বাবা দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এলেন।

অনিক আবেগাপ্লুত হয়ে সাকিবের হাত ধরে কেঁদে ফেলল। সাকিব মৃদু হেসে বলল, “বন্ধু যদি বন্ধুর বিপদে পাশে না দাঁড়ায়, তবে বন্ধুত্বের মূল্য কোথায়?” অনিক সেদিন উপলব্ধি করল—সুসময়ে অনেকেই বন্ধু সাজে, কিন্তু দুঃসময়ে যে হাত বাড়িয়ে দেয়, সে-ই হলো প্রকৃত বন্ধু।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন