বাংলা ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৬

বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন

8.

(ক) তোমাদের কলেজে অনুষ্ঠিতব্য সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়ে একজন দেশবরেণ্য ব্যক্তিত্ব বরাবর একটি ই-মেইল তৈরি কর।অথবা ,(খ) তোমাদের এলাকায় বিজয় দিবস উদ্যাপনের বর্ণনা দিয়ে প্রবাসী বন্ধুর কাছে একটি পত্র লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা

AI-তৈরি নমুনা উত্তর

(ক) দেশবরেণ্য ব্যক্তিত্ব বরাবর প্রেরিত ই-মেইল:

প্রাপক: [email protected]
প্রেরক: [email protected]
বিষয়: সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ।
তারিখ: ১২ নভেম্বর ২০১৬

শ্রদ্ধেয় স্যার,

সাগ্রহে বিনীত নিবেদন এই যে, ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজ সাংস্কৃতিক পরিষদের উদ্যোগে আগামী ২৫ নভেম্বর ২০১৬, শুক্রবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় কলেজ অডিটোরিয়ামে চার দিনব্যাপী ‘বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০১৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে যাচ্ছে।

আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের সৃজনশীল মেধা ও মনন বিকাশের লক্ষ্যে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে আপনার সদয় উপস্থিতি আমাদের অত্যন্ত সম্মানিত ও অনুপ্রাণিত করবে। দেশীয় শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনে আপনার অনন্য অবদান শিক্ষার্থীদের জন্য আলোকবর্তিকাস্বরূপ।

অতএব, বিনীত প্রার্থনা, উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য ও আশীর্বাদ প্রদান করে বাধিত করবেন।

অনুষ্ঠানের বিস্তারিত সময়সূচি এই চিঠির সাথে সংযুক্ত করা হলো। আপনার সম্মতি পেলে আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ হব।

বিনীত,
মুহাম্মদ তানভীর আহমেদ
আহ্বায়ক, বার্ষিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা কমিটি
ঢাকা কলেজ, ঢাকা।

সংযুক্তি: অনুষ্ঠানের সময়সূচি ও নির্দেশিকা।

অথবা,

(খ) প্রবাসী বন্ধুর কাছে পত্র:

তারিখ: ১৮ ডিসেম্বর ২০১৬
খিলগাঁও, ঢাকা।

প্রিয় ফারহান,
আমার আন্তরিক ভালোবাসা নিস। আশা করি দূর প্রবাসে (কানাডায়) থেকেও তুই সুস্থ আছিস। গতকালই তোর পাঠানো চিঠি পেলাম। চিঠিতে তুই জানতে চেয়েছিস আমাদের এলাকায় এবারের বিজয় দিবস কীভাবে উদযাপিত হলো। তাই আনন্দের সাথে তোকে সে সম্পর্কে লিখছি।

১৬ই ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গৌরবের দিন। প্রতিবারের মতো এবারও আমাদের এলাকায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে দিনটি উদযাপিত হয়েছে। প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে পাড়ার ক্লাব ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। আমরা বন্ধুরা মিলে স্থানীয় শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জাতির বীর সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করি।

সকাল ১০টায় এলাকার মাঠে অনুষ্ঠিত হয় শিশুদের কুচকাওয়াজ ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। বিকেলে আয়োজিত হয় আলোচনা সভা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধারা যখন একাত্তরের রণাঙ্গনের স্মৃতিচারণ করছিলেন, তখন উপস্থিত সবার চোখেই গর্বের অশ্রু দেখা যায়। সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান ও নাটক মঞ্চস্থ হয়। পুরো এলাকা লাল-সবুজের আলোকসজ্জায় এক অপরূপ রূপ ধারণ করেছিল। প্রবাসে থেকেও তুই দেশের জন্য যে টান অনুভব করিস, তা জেনে সত্যিই খুব ভালো লাগে।

আজ আর নয়। সুযোগ পেলে দেশে আসিস, একসাথে আবার আড্ডা দেওয়া যাবে। তোর পরিবারের সবাইকে আমার সালাম জানাস।

তোরই প্রিয় বন্ধু,
আহমেদ সাদমান

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন