পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২১

পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

চিত্রের ট্রানজিস্টরটিতে ইনপুট কারেন্টের 0.02mA পরিবর্তনে আউটপুট কারেন্টের 1 mA পরিবর্তন হয়।

  1. ক)

    ডিপ্লেশন স্তর কী?

    (1)
  2. খ)

    P-টাইপ অর্ধ-পরিবাহীতে ঋণাত্মক আধান বাহক থাকার কারণ ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    ট্রানজিস্টরটি কারেন্ট গেইন β\beta এর মান নির্ণয় করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের বর্তনী অনুযায়ী ইনপুট সিগনালের সাপেক্ষে আউটপুট সিগনালের পরিবর্তন ব্যাখ্যা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    p-n জংশনের সংযোগস্থলের উভয় পাশে মুক্ত আধান বাহকবিহীন (ইলেকট্রন ও হোল শূন্য) স্থির আয়নযুক্ত যে সরু অঞ্চল সৃষ্টি হয়, তাকে ডিপ্লেশন স্তর (Depletion layer) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    P-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর (যেমন- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম) সাথে ত্রিযোজী অপদ্রব্য (যেমন- বোরন, অ্যালুমিনিয়াম) ডোপিং করার ফলে বিপুল সংখ্যক হোল (সংখ্যাগরিষ্ঠ আধান বাহক) সৃষ্টি হয়। তবে কক্ষ তাপমাত্রায় তাপীয় উত্তেজনার (thermal excitation) কারণে কিছু সমযোজী বন্ধন ভেঙে যায় এবং ইলেকট্রন-হোল জোড় সৃষ্টি হয়। এই প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন মুক্ত ইলেকট্রনগুলোই P-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে সংখ্যালঘু ঋণাত্মক আধান বাহক হিসেবে কাজ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপক অনুসারে,
    ইনপুট কারেন্টের পরিবর্তন, ΔIB=0.02 mA\Delta I_B = 0.02 \text{ mA}
    আউটপুট কারেন্টের পরিবর্তন, ΔIC=1 mA\Delta I_C = 1 \text{ mA}

    আমরা জানি,
    কমন ইমিটার (CE) ট্রানজিস্টরের ক্ষেত্রে কারেন্ট গেইন,
    β=ΔICΔIB\beta = \frac{\Delta I_C}{\Delta I_B}

    মান বসিয়ে পাই,
    β=1 mA0.02 mA=50\beta = \frac{1 \text{ mA}}{0.02 \text{ mA}} = 50

    অতএব, ট্রানজিস্টরটির কারেন্ট গেইন β\beta-এর মান ৫০।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের বর্তনীটি একটি সাধারণ নিঃসারক (Common Emitter - CE) অ্যাম্প্লিফায়ার বা বিবর্ধক বর্তনী। এই বর্তনীতে ইনপুট সংকেত বেস-ইমিটার সংযোগে প্রয়োগ করা হয়েছে এবং আউটপুট সংকেত কালেক্টর প্রান্ত হতে সংগৃহীত হয়েছে।

    ইনপুট সংকেতের সাপেক্ষে আউটপুট সংকেতের পরিবর্তন দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়:

    ১. বিবর্ধন (Amplification): ইনপুট সিগনালের ক্ষুদ্র ভোল্টেজ পরিবর্তন বেস প্রবাহে পরিবর্তন ঘটায়, যা কালেক্টর কারেন্টে তুলনামূলক বহুগুণ বড় পরিবর্তন সৃষ্টি করে (যেহেতু β=50\beta = 50)। ফলে সংগ্রাহক রোধ RCR_C-এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টের পরিবর্তনের কারণে আউটপুটে একটি বিবর্ধিত সংকেত (VoutV_{out}) পাওয়া যায়।

    ২. দশা বিপরীতকরণ (Phase Reversal): বর্তনীর সংগ্রাহক ভোল্টেজের সমীকরণ হলো, VCE=VCC−ICRCV_{CE} = V_{CC} - I_C R_C।

    • যখন ইনপুট এসি সংকেতের ধনাত্মক অর্ধ-চক্র আসে, তখন বেস কারেন্ট বৃদ্ধি পায় এবং ফলে সংগ্রাহক কারেন্ট ICI_C বৃদ্ধি পায়। এতে ICRCI_C R_C ড্রপ বেড়ে যাওয়ায় আউটপুট ভোল্টেজ VCEV_{CE} হ্রাস পায় (ঋণাত্মক অভিমুখী হয়)।
    • আবার, ইনপুট সংকেতের ঋণাত্মক অর্ধ-চক্রে বেস কারেন্ট ও সংগ্রাহক কারেন্ট ICI_C হ্রাস পায়, ফলে আউটপুট ভোল্টেজ VCEV_{CE} বৃদ্ধি পায় (ধনাত্মক অভিমুখী হয়)।

    অতএব, সাধারণ নিঃসারক বিন্যাসের কারণে আউটপুট সিগনালটি ইনপুট সিগনালের তুলনায় বিবর্ধিত হয় এবং এদের মধ্যে ১৮০° (180∘180^\circ) বা π\pi রেডিয়ানের দশা পার্থক্য (দশা বিপরীতমুখী) ঘটে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন