উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২২
উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র প্রশ্ন
পটুয়াখালীর আজিজ একজন সফল চিংড়ি ব্যবসায়ী। তিনি চিংড়িকে মানের ভিত্তিতে A, B ও C গ্রেডে ভাগ করেন। A গ্রেডের চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করেন এবং B ও C গ্রেডের চিংড়িগুলো দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় করেন। আজিজের পদ্ধতিটি এলাকার আরও কয়েকজন চিংড়ি ব্যবসায়ীর পছন্দ হওয়ায় তারাও আজিজের পদ্ধতি অবলম্বনে উদ্যোগী হন।
- ক)(1)
বাজার কী?
- খ)(2)
পণ্যের মোড়কিকরণ কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
আজিজ বিপণনের কোন কাজ সম্পাদন করেছেন? ব্যাখ্যা কর ।
- ঘ)(4)
তুমি কি মনে কর অন্যান্য চিংড়ি ব্যবসায়ীদের উদ্যোগ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ত্বরান্বিত করবে? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অর্থনীতি ও বিপণনের ভাষায়, বাজার বলতে কোনো নির্দিষ্ট পণ্যের বর্তমান ও সম্ভাব্য ক্রেতার সমষ্টিকে বোঝায়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পণ্যকে বাহ্যিক ক্ষতি ও প্রতিকূল অবস্থা থেকে সুরক্ষা প্রদান, পণ্যের গুণগত মান অক্ষুণ্ণ রাখা এবং ক্রেতাদের কাছে পণ্যটি আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরার জন্য মোড়কিকরণ প্রয়োজন।
মোড়কিকরণের ফলে পণ্য পরিবহন ও গুদামজাতকরণ সহজ ও নিরাপদ হয়। এটি নষ্ট হওয়া, ভাঙন বা দূষণ থেকে পণ্যকে রক্ষা করে এবং পণ্যের লেবেল ও ডিজাইন প্রদর্শনের মাধ্যমে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করে বিক্রয় বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে আজিজ বিপণনের 'পর্যায়িতকরণ' (Grading) কাজটি সম্পাদন করেছেন।
প্রমিতকরণের ভিত্তিতে পণ্যসামগ্রীকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বা মানে ভাগ করার প্রক্রিয়াকে পর্যায়িতকরণ বলা হয়। এর মাধ্যমে পণ্যের আকার, ওজন, মান বা রঙের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন গ্রেডে বিন্যস্ত করা হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, পটুয়াখালীর ব্যবসায়ী আজিজ চিংড়িকে মানের ভিত্তিতে A, B ও C এই তিনটি গ্রেডে ভাগ করেছেন। উচ্চমানের 'A' গ্রেডের চিংড়ি তিনি বিদেশে রপ্তানি করেন এবং বাকিগুলো অভ্যন্তরীণ বাজারে বিক্রি করেন। এই কাজের মাধ্যমে পণ্যের মান অনুযায়ী শ্রেণিবিভাগ সম্পন্ন হওয়ায় আজিজ বিপণনের পর্যায়িতকরণের কাজটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছেন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, আমি মনে করি অন্যান্য চিংড়ি ব্যবসায়ীদের এই উদ্যোগ দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকে ত্বরান্বিত করবে।
আন্তর্জাতিক বাজারে যেকোনো পণ্যের চাহিদা ধরে রাখা এবং ভালো দাম পাওয়ার ক্ষেত্রে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা ও সুনির্দিষ্ট শ্রেণিবিন্যাস (গ্রেডিং) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক ক্রেতারা সবসময় মানসম্মত ও নির্ধারিত গ্রেডের পণ্য প্রত্যাশা করেন। পর্যায়িতকরণের মাধ্যমে পণ্যের নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পায় এবং বিশ্ববাজারে সুনাম তৈরি হয়।
উদ্দীপকে আজিজ চিংড়িকে মানের ভিত্তিতে A, B ও C গ্রেডে ভাগ করে সর্বোচ্চ মানের চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করে সফলতা পেয়েছেন। এলাকার অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও আজিজের পদ্ধতি অনুসরণ করে মান অনুযায়ী চিংড়ি পর্যায়িত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এর ফলে পুরো এলাকার চিংড়ি রপ্তানির গুণগত মান নিশ্চিত হবে, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চিংড়ির গ্রহণযোগ্যতা ও ব্র্যান্ড ইমেজ বৃদ্ধি পাবে। ফলে চিংড়ি রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ব্যাপকভাবে ত্বরান্বিত হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও