যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

কলকাতায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট ম্যাচ ছিল ব্যতিক্রমী। এ ম্যাচটি দিন-রাত্রিতে অনুষ্ঠিত হয়। এ ম্যাচে গোলাপী রঙের বলে খেলা হয়। ম্যাচটি ব্যতিক্রমী হওয়ায় অনেকে বলে সর্বনাশ, আবার অনেকে বলে সাবাশ ক্রিকেট বোর্ড।

  1. ক)

    পদ কী?

    (1)
  2. খ)

    পদযোগ্য শব্দ বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের 'দিন-রাত্রি' কোন পদকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের শেষ বাক্যের 'সর্বনাশ', 'সাবাশ' শব্দগুলো পাঠ্যবইয়ের আলোকে তোমার মতসহ বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয় বা হতে পারে, তাকে পদ (Term) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যেসব শব্দ অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়াই স্বাধীনভাবে কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, সেগুলোকে পদযোগ্য শব্দ (Categorematic words) বলে। যেমন: 'মানুষ', 'বই', 'সৎ' ইত্যাদি। এসব শব্দ কোনো বাক্যে উদ্দেশ্য কিংবা বিধেয় হওয়ার জন্য অন্য পদের মুখাপেক্ষী হয় না, নিজেরাই অর্থপূর্ণ পদ হিসেবে যুক্তিবাক্যে স্থান পেতে পারে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'দিন-রাত্রি' যুক্তিবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে 'পরস্পরবিরোধী পদ' বা 'বিরুদ্ধ পদ' (Contradictory terms)-কে নির্দেশ করে। যুক্তিবিদ্যায় সম্পর্কের ভিত্তিতে পদকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যখন দুটি পদ পরস্পরের সম্পূর্ণ নিষেধসূচক হয় এবং উভয়ের মাঝে কোনো মধ্যবর্তী অবস্থা থাকে না, অর্থাৎ একটির উপস্থিতি অন্যটির অনুপস্থিতিকে নিশ্চিত করে, তখন তাদের বিরুদ্ধ পদ বলে। সাধারণ অর্থে 'দিন' ও 'রাত্রি' একে অপরের বিপরীত ও পরস্পরবিরোধী অবস্থা নির্দেশ করে। দিন থাকলে রাত থাকে না এবং রাত থাকলে দিন থাকে না। সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত 'দিন-রাত্রি' পদটি পরস্পরবিরোধী বা বিরুদ্ধ পদের দৃষ্টান্তকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের শেষ বাক্যের 'সর্বনাশ' এবং 'সাবাশ' শব্দগুলো যুক্তিবিদ্যার আলোকে 'পদ-অযোগ্য শব্দ' (Acategorematic words) বা ভাবসূচক/আবেগসূচক শব্দ। যুক্তিবিদ্যায় শব্দের শ্রেণিবিভাগে যেসব শব্দ কখনোই কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না, সেগুলোকে পদ-অযোগ্য শব্দ বলে। এগুলো এককভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট অর্থ বহন করে যুক্তিবাক্য গঠন করতে পারে না। বরং এগুলো মনের আনন্দ, বিস্ময়, দুঃখ, হর্ষ, ভয় ইত্যাদি ক্ষণস্থায়ী আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করে। উদ্দীপকে ম্যাচের ব্যতিক্রমী রূপ দেখে কারও কারও আবেগ বা বিস্ময়সূচক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পেয়েছে 'সর্বনাশ' এবং 'সাবাশ' শব্দের মাধ্যমে। ব্যাকরণে এগুলো অনন্যয়ী অব্যয় বা ভাববাচক শব্দ হলেও যুক্তিবিদ্যায় এরা কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। অতএব, যুক্তিবিদ্যার নিয়ম অনুযায়ী 'সর্বনাশ' এবং 'সাবাশ' শব্দগুলো কোনো পদ নয়, বরং পদ-অযোগ্য শব্দ হিসেবেই চিহ্নিত ও বিশ্লেষণযোগ্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন