রসায়ন ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫
রসায়ন ২য় পত্র প্রশ্ন
(i)C4H8(শাখায়িত)→2. Zn, H2O1. O3P(3C)+Q(1C)+ZnO (i) \underset{\text{(শাখায়িত)}}{\text{C}_4\text{H}_8} \xrightarrow[\text{2. Zn, H}_2\text{O}]{\text{1. O}_3} \underset{\text{(3C)}}{\text{P}} + \underset{\text{(1C)}}{\text{Q}} + \text{ZnO}
(ii)C4H8(সরল চেইন)→2. Zn, H2O1. O3X(3C)+Q(1C)+ZnO (ii) \underset{\text{(সরল চেইন)}}{\text{C}_4\text{H}_8} \xrightarrow[\text{2. Zn, H}_2\text{O}]{\text{1. O}_3} \underset{\text{(3C)}}{\text{X}} + \underset{\text{(1C)}}{\text{Q}} + \text{ZnO}
- ক)(1)
মোল ভগ্নাংশ কাকে বলে?
- খ)(2)
আদর্শ গ্যাসের চাপ বাস্তব গ্যাস অপেক্ষা বেশি কেন?
- গ)(3)
P ও Q যৌগের মধ্যে পার্থক্য সমীকরণসহ লেখ।
- ঘ)(4)
নিউক্লিওফিলিক সংযোজন বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে X ও Q যৌগের মধ্যে সক্রিয়তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো দ্রবণে উপস্থিত একটি উপাদানের মোল সংখ্যা এবং দ্রবণটিতে উপস্থিত সব উপাদানের মোট মোল সংখ্যার অনুপাতকে ঐ উপাদানের মোল ভগ্নাংশ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আদর্শ গ্যাসের ক্ষেত্রে অণুগুলোর মধ্যে কোনো আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল কাজ করে না। কিন্তু বাস্তব গ্যাসের ক্ষেত্রে অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক দুর্বল আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল বিদ্যমান থাকে। পাত্রের দেয়ালে বাস্তব গ্যাসের অণুগুলো যখন আঘাত করতে যায়, তখন পেছনের অণুগুলো তাদের আকর্ষণ করে। ফলে বাস্তব গ্যাস আদর্শ গ্যাসের মতো পূর্ণ শক্তিতে পাত্রের দেয়ালে চাপ দিতে পারে না। তাই একই তাপমাত্রা ও আয়তনে বাস্তব গ্যাসের তুলনায় আদর্শ গ্যাসের চাপ বেশি হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের বিক্রিয়া (i) অনুযায়ী, শাখায়িত অ্যালকিন C4H8 হলো ২-মিথাইলপ্রোপিন [(CH3)2C=CH2]। এর ওজোনলাইসিসে ৩ কার্বনবিশিষ্ট কিটোন প্রোপানোন (P) এবং ১ কার্বনবিশিষ্ট অ্যালডিহাইড মিথান্যাল (Q) উৎপন্ন হয়।
P হলো প্রোপানোন (CH3COCH3) এবং Q হলো মিথান্যাল (HCHO)।P ও Q-এর মধ্যে পার্থক্যকরণ:
১. টলেন বিকারক পরীক্ষা:
মিথান্যাল (Q) টলেন বিকারককে বিজারিত করে পাত্রের গায়ে রূপার দর্পণ (Silver mirror) সৃষ্টি করে, কিন্তু কিটোন প্রোপানোন (P) টলেন বিকারকের সাথে কোনো বিক্রিয়া দেয় না।
বিক্রিয়া:
HCHO + 2[Ag(NH3)2]OH → HCOONH4 + 2Ag↓ + 3NH3 + H2O
CH3COCH3 + টলেন বিকারক → বিক্রিয়া হয় না২. ফেলিং দ্রবণ পরীক্ষা:
মিথান্যাল (Q) ফেলিং দ্রবণের সাথে বিক্রিয়া করে কিউপ্রাস অক্সাইডের (Cu2O) লাল অধঃক্ষেপ দেয়, কিন্তু প্রোপানোন (P) ফেলিং দ্রবণের সাথে কোনো বিক্রিয়া দেয় না।
বিক্রিয়া:
HCHO + 2Cu(OH)2 + NaOH → HCOONa + Cu2O↓ (লাল) + 3H2O
CH3COCH3 + ফেলিং দ্রবণ → বিক্রিয়া হয় না - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপক অনুযায়ী, সরল চেইন অ্যালকিন C4H8-এর ওজোনলাইসিসে ৩ কার্বনের অ্যালডিহাইড প্রোপান্যাল (X, CH3CH2CHO) এবং ১ কার্বনের অ্যালডিহাইড মিথান্যাল (Q, HCHO) উৎপন্ন হয়।
নিউক্লিওফিলিক সংযোজন বিক্রিয়ার প্রতি কার্বনিল যৌগের সক্রিয়তা প্রধানত দুটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে:
১. কার্বনিল কার্বনের ধনাত্মক আধানের ঘনত্ব (ইলেকট্রনীয় প্রভাব)
২. কার্বনিল কার্বনের চারপাশের স্টেরিক বাধা (স্থানিক বাধা)১. ইলেকট্রনীয় প্রভাব: কার্বনিল মূলকের কার্বনের ধনাত্মক আধান যত বেশি হয়, নিউক্লিওফাইলের আক্রমণ তত সহজ হয় এবং সক্রিয়তা বাড়ে। মিথান্যালের (HCHO) কার্বনিল কার্বনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন যুক্ত থাকে, যার কোনো ইলেকট্রন প্রদানকারী আবেশীয় (+I) প্রভাব নেই। ফলে এর কার্বনিল কার্বনে ধনাত্মক চার্জের ঘনত্ব তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। অপরদিকে প্রোপন্যালে (CH3CH2CHO) একটি ইলেকট্রন প্রদানকারী ইথাইল (-CH2CH3) মূলক কার্বনিল কার্বনের সাথে যুক্ত থাকায় +I প্রভাবের কারণে কার্বনিল কার্বনের ধনাত্মক চার্জ হ্রাস পায়। ফলে নিউক্লিওফাইলের আকর্ষণ ক্ষমতা কমে যায়।
২. স্টেরিক বাধা: মিথান্যালের কার্বনিল কার্বনে ক্ষুদ্রাকৃতির দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু থাকায় সেখানে কোনো স্টেরিক বাধা থাকে না। ফলে নিউক্লিওফাইল সহজে আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু প্রোপন্যালে অপেক্ষাকৃত বড় ইথাইল মূলক উপস্থিত থাকায় তা স্টেরিক বাধা সৃষ্টি করে, যা নিউক্লিওফাইলের আক্রমণকে বাধাগ্রস্ত করে।
অতএব, ইলেকট্রনীয় ও স্টেরিক উভয় দিক থেকেই মিথান্যাল (Q) প্রোপান্যাল (X) অপেক্ষা অধিক সক্রিয়। অর্থাৎ সক্রিয়তার ক্রম: Q > X (মিথান্যাল > প্রোপান্যাল)।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও