সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮

সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

শিহাব বিশ্ববিদ্যালয়ে যে বিষয়ে অধ্যয়ন করেন সে বিষয়টির উৎপত্তি সম্পর্কে সন্ধান করতে গিয়ে দেখলেন, ল্যাটিন শব্দ Socius ও গ্রিক শব্দ Logos থেকে এর উদ্ভব। ১৮৩৯ সালে একজন ফরাসি দার্শনিক তাঁর 'কোর্স-ডি-ফিলোসফি পজিটিভ' গ্রন্থে সর্বপ্রথম এ বিষয়টিকে বিজ্ঞান হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

  1. ক)

    "সমাজবিজ্ঞান হলো সামাজিক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান- উক্তিটি কার?

    (1)
  2. খ)

    শিক্ষার সমাজবিজ্ঞান বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের শিহাব কোন বিষয়ে অধ্যয়ন করেন? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত বিষয়টি সমাজের সামগ্রিক পাঠ- বিশ্লেষণ করো

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    "সমাজবিজ্ঞান হলো সামাজিক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান"— উক্তিটি সমাজবিজ্ঞানী এমিল ডুর্খেইমের (Émile Durkheim)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শিক্ষার সমাজবিজ্ঞান হলো সমাজবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা, যা শিক্ষা এবং সমাজের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। এটি শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্য, সামাজিক কাঠামো ও মূল্যবোধ তৈরিতে শিক্ষার ভূমিকা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামাজিক পরিবেশ এবং সামাজিক স্তরবিন্যাস ও গতিশীলতায় শিক্ষার প্রভাব প্রভৃতি বিষয় পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের শিহাব 'সমাজবিজ্ঞান' (Sociology) বিষয়ে অধ্যয়ন করেন।

    ল্যাটিন শব্দ 'Socius' (যার অর্থ সঙ্গী বা সমাজ) এবং গ্রিক শব্দ 'Logos' (যার অর্থ জ্ঞান বা বিজ্ঞান) থেকে 'Sociology' শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। ফরাসি দার্শনিক অগাস্ট কোঁত ১৮৩৯ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'Positive Philosophy' (Cours de Philosophie Positive)-এর চতুর্থ খণ্ডে সর্বপ্রথম এই 'Sociology' শব্দটি প্রবর্তন করেন এবং বিষয়টিকে একটি পৃথক বিজ্ঞান হিসেবে রূপ দেন।

    উদ্দীপকে উল্লেখিত শব্দমূল ও ১৮৩৯ সালে ফরাসি দার্শনিক কর্তৃক বিজ্ঞান হিসেবে নামকরণের তথ্য সরাসরি সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তির ইতিহাসের সাথে সংগতিপূর্ণ। তাই নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, শিহাব সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়ন করছেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সমাজবিজ্ঞান সমাজ ও মানবজীবনের সামগ্রিক ও পূর্ণাঙ্গ পাঠ— উক্তিটি যথার্থ।

    সমাজবিজ্ঞান মানবসমাজকে একটি অখণ্ড একক হিসেবে গণ্য করে এর সমস্ত দিক নিয়ে সার্বিক বিশ্লেষণ করে। অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞান যেমন— অর্থনীতি কেবল অর্থনৈতিক দিক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা ও রাষ্ট্র পরিচালনা, আর ইতিহাস কেবল অতীত ঘটনা নিয়ে আলোচনা করে। কিন্তু সমাজবিজ্ঞান সমাজের উৎপত্তি, বিকাশ, সামাজিক প্রতিষ্ঠান (যেমন— পরিবার, বিবাহ, ধর্ম), সামাজিক পরিবর্তন, সামাজিক সমস্যা, সামাজিক স্তরবিন্যাস ও মানবীয় মিথস্ক্রিয়া নিয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে আলোচনা করে।

    সমাজবিজ্ঞানের পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। এটি সমাজকাঠামো থেকে শুরু করে গ্রামীণ ও নগর জীবনের রূপরেখা, অপরাধের সমাজতত্ত্ব, ধর্মের সমাজতত্ত্ব ইত্যাদি সমস্ত ক্ষেত্রে বিস্তৃত। সমাজের কোনো একটি দিক বাদ দিয়ে সামগ্রিক সমাজের রূপ উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। তাই অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞান যেখানে আংশিক দিক বিবেচনা করে, সেখানে সমাজবিজ্ঞান সমাজের সামগ্রিক কাঠামোর বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ প্রদান করে। ফলে সমাজবিজ্ঞানকে নিঃসন্দেহে সমাজের সামগ্রিক পাঠ বলা যায়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন