‍ইতিহাস ২য় পত্র • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০১৯

‍ইতিহাস ২য় পত্র প্রশ্ন

মিঠুর বাবা ছিলেন একজন শিক্ষক। মা ছিলেন স্কুলের রাঁধুনি ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় মিঠু ডাক্তারি না পড়ে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। মিঠু বিশ্বব্যাপী নির্যাতিত মানুষের পক্ষে কাজ করে আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।

  1. ক)

    নেলসন ম্যান্ডেলা কত বছর জেল খেটেছেন?

    (1)
  2. খ)

    ANC কেন গঠিত হয়েছিল?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত মিঠুর সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ব্যক্তির মিল রয়েছে? তিনি কীভাবে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন?

    (3)
  4. ঘ)

    "উল্লিখিত ব্যক্তি ছিলেন তার দেশের বিবেক"- মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নেলসন ম্যান্ডেলা দীর্ঘ ২৭ বছর জেল খেটেছেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সরকারের বৈষম্যমূলক বর্ণবাদী নীতি ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক ও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯১২ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC) গঠিত হয়েছিল।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত মিঠুর জীবনের সাথে পাঠ্যবইয়ের বর্ণবাদবিরোধী নেতা আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটুর মিল রয়েছে।

    ডেসমন্ড টুটুর বাবা ছিলেন একজন শিক্ষক এবং মা ছিলেন স্কুলের রাঁধুনি ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী। চরম আর্থিক সংকটের কারণে চিকিৎসাবিজ্ঞান পড়তে না পেরে তিনি শিক্ষকতা পেশা বেছে নিয়েছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে চার্চের নেতৃত্বে আসেন। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলন গড়ে তোলেন। নির্যাতিত ও অধিকারবঞ্চিত কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি মানবাধিকার ও বিশ্বশান্তির পক্ষে নিরলস ভূমিকা রাখেন। ফলে তিনি ১৯৮৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এভাবে তিনি সমাজে সাম্য, সম্প্রীতি ও মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    "উল্লিখিত ব্যক্তি ছিলেন তার দেশের বিবেক"—উক্তিটি আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটুর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সত্য ও যথাযথ।

    দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ সরকারের বর্ণবাদী নীতি যখন কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর চরম নিপীড়ন চালাচ্ছিল, তখন ডেসমন্ড টুটু নিজ দেশের নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে আওয়াজ তোলেন।
    ১. অহিংস প্রতিরোধ: ম্যান্ডেলাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ কারাগারে থাকাকালে তিনি দেশের ভেতরে থেকে অহিংস পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদের বিরুদ্ধে নৈতিক প্রতিবাদ তুলে ধরেন।
    ২. সত্য ও পুনর্মিলন কমিশন (TRC): বর্ণবাদের অবসানের পর তিনি 'Truth and Reconciliation Commission'-এর চেয়ারম্যান হিসেবে অতীতের নিষ্ঠুরতা উন্মোচন এবং প্রতিশোধের পরিবর্তে ক্ষমা ও পুনর্মিলনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
    ৩. সার্বজনীন মানবিক অবস্থান: তিনি কেবল নিজ জাতির জন্যই নয়, বরং অন্যায়কারী এবং নির্যাতিত উভয় পক্ষের নৈতিক মুক্তির কথা বলেছেন।

    তাঁর নির্ভীক নৈতিক অবস্থান ও ক্ষমার বাণীর কারণে তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকার 'জাতীয় বিবেক' হিসেবে গণ্য করা হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন