ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
নেপচুন একটি বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার কোম্পানি। সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির অসংখ্য আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতি মাসে আঞ্চলিক ব্যবস্থাপকদের নিয়ে সভা আয়োজন করে। আঞ্চলিক ব্যবস্থাপকগণ নিজেদের কর্মস্থলে বসেই এ সভায় অংশগ্রহণ করে নিজেদের মূল্যবান তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। এতে আঞ্চলিক ব্যবস্থাপকদের প্রধান কার্যালয়ে যাতায়াতে প্রচুর ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সময় লাঘব হয়ে থাকে।
- ক)(1)
সিদ্ধান্ত গ্রহণ কী?
- খ)(2)
দ্বৈত অধীনতা সংগঠনে পরিহার করতে হয় কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের সভা ব্যবস্থাকে কী বলা হয়? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
প্রতিষ্ঠানটির এ ধরনের সভা আয়োজনের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো সমস্যা সমাধান বা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একাধিক বিকল্প কর্মপন্থা থেকে সর্বোত্তম বিকল্পটি বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সংগঠনে দ্বৈত অধীনতা থাকলে একজন কর্মীকে একই সাথে দুজন বা ততোধিক ঊর্ধ্বতনের নির্দেশ মানতে হয়, যা আদেশের ঐক্য নীতি লঙ্ঘন করে। এর ফলে কর্মীর মধ্যে কার নির্দেশ আগে পালন করবে তা নিয়ে বিভ্রান্তি, কাজের প্রতি অনীহা এবং দায়িত্ব এড়ানোর প্রবণতা সৃষ্টি হয়। তাই প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও দক্ষতা বজায় রাখতে সংগঠনে দ্বৈত অধীনতা পরিহার করতে হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের সভা ব্যবস্থাকে 'ভিডিও কনফারেন্সিং' (বা ইলেকট্রনিক সভা) বলা হয়।
টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে দূরবর্তী বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের মধ্যে ভিডিও ও অডিওর মাধ্যমে সরাসরি দৃশ্যমান ও শ্রবণযোগ্য যে সভা বা যোগাযোগ অনুষ্ঠিত হয়, তাকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে।
উদ্দীপকে নেপচুন সফটওয়্যার কোম্পানির বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা আঞ্চলিক ব্যবস্থাপকগণ নিজ নিজ কর্মস্থলে থেকেই সরাসরি সভায় অংশ নেন এবং তথ্য উপস্থাপন ও মতামত বিনিময় করেন। ভৌগোলিক দূরত্বের ব্যবধান সত্ত্বেও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি এমন সভা পরিচালনা ভিডিও কনফারেন্সিং ধারণার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠানটির এ ধরনের আধুনিক ভার্চুয়াল সভা (ভিডিও কনফারেন্সিং) আয়োজন অত্যন্ত যৌক্তিক ও সময়োপযোগী।
বৃহদায়তন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শাখা বা অঞ্চল থেকে কর্মকর্তাদের সরাসরি এক স্থানে উপস্থিত করে সভা পরিচালনা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। প্রযুক্তিনির্ভর অনলাইন সভার মাধ্যমে এই প্রতিকূলতা দূর করা সম্ভব হয়।
উদ্দীপকে নেপচুন কোম্পানি প্রতি মাসে তাদের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপকদের নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভার আয়োজন করে। এর যৌক্তিকতা নিম্নরূপ:
১. ব্যয় সাশ্রয়: বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা কর্মকর্তাদের প্রধান কার্যালয়ে আসা-যাওয়া, থাকা-খাওয়া ও যাতায়াত বাবদ যে বিশাল আর্থিক ব্যয় হতো, তা থেকে প্রতিষ্ঠান রক্ষা পাচ্ছে।
২. সময় সাশ্রয় ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ: দূরপাল্লার ভ্রমণের ক্লান্তি ও দীর্ঘ সময় নষ্ট না করে ব্যবস্থাপকগণ স্ব-স্ব স্থানে বসেই তাৎক্ষণিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছেন।
৩. কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা: কর্মকর্তাদের কর্মস্থল ত্যাগ না করতে হওয়ায় তাদের নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটে না।অতএব, বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং ন্যূনতম খরচে দ্রুত প্রশাসনিক সমন্বয় ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রতিষ্ঠানটির এ ধরনের সভা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ যৌক্তিক ও ফলপ্রসূ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও