পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি • ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ • ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
রিয়াদ একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার প্রথম দিনের ক্লাসে শিক্ষক সুনাগরিকের গুণাবলি, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য প্রভৃতির ওপর আলোচনা করছিলেন। ক্লাস শেষে রিয়াদের মনে হলো একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকরই এই বিষয়ে জ্ঞান থাকা দরকার।
- ক)(1)
সিভিটাল শব্দের অর্থ কী?
- খ)(2)
সুশাসন বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের শিক্ষক কোন বিষয় পড়াচ্ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
রিয়াদের মতো তুমিও কি মনে কর যে, নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকেই এই বিষয়ে জ্ঞান থাকা দরকার? মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
'সিভিটাস' (Civitas) শব্দের অর্থ হলো নগর-রাষ্ট্র (City-State)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সুশাসন বলতে এমন এক ধরনের শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, জনগণের অংশগ্রহণ এবং সমতা নিশ্চিত হয়।
১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম সুশাসন (Good Governance) প্রত্যয়টি স্পষ্টভাবে ব্যবহার করে। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যা শাসক ও শাসিতের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়ন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের শিক্ষক 'পৌরনীতি ও সুশাসন' বিষয়টি পড়াচ্ছিলেন।
পৌরনীতি হলো নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। এতে নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য, কার্যাবলি, সুনাগরিকের গুণাবলি, রাষ্ট্রের উৎপত্তি ও কার্যাবলি নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, রিয়াদের শিক্ষক ক্লাসে সুনাগরিকের গুণাবলি এবং নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য প্রভৃতির ওপর আলোচনা করছিলেন। এই বিষয়গুলো সম্পূর্ণভাবে পৌরনীতি ও সুশাসনের মৌলিক পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং স্পষ্টতই শিক্ষক 'পৌরনীতি ও সুশাসন' বিষয়টি পড়াচ্ছিলেন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, রিয়াদের মতো আমিও মনে করি যে একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকেরই পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ে জ্ঞান থাকা একান্ত আবশ্যক।
পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের প্রয়োজনীয়তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. সুনাগরিকতার জ্ঞান অর্জন: সুনাগরিকের তিনটি মৌলিক গুণ—বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেক-বিচার সম্পর্কে পৌরনীতি শিক্ষা দেয়, যা একটি দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত।
২. অধিকার ও কর্তব্য সচেতনতা: এটি একজন নাগরিককে তার মৌলিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি করণীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য (যেমন—কর প্রদান, ভোটদান, আইন মান্য করা) পালনে উদ্বুদ্ধ করে।
৩. রাজনৈতিক চেতনা ও দৃষ্টিভঙ্গির বিকাশ: রাষ্ট্র, সরকার, সংবিধান, গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন সম্পর্কে স্পষ্ট জ্ঞান অর্জিত হয়, যা সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি দূর করে উদার মানসিকতা তৈরি করে।
৪. দেশপ্রেম জাগ্রত করা: নিজের অধিকারের পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ও দেশের সামগ্রিক কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পৌরনীতি নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করে।
সুতরাং, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সফল পরিচালনা এবং দায়িত্বশীল সমাজ গঠনের জন্য প্রত্যেকেরই এ বিষয়ে জ্ঞান থাকা অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও