পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৩
পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
M, N এবং S তিনটি রোধ যাদের মান যথাক্রমে 18 Ω, 36 Ω এবং 40 Ω। T রোধটি পরিবর্তনশীল। প্রাথমিক অবস্থায় চাবি K টি খোলা রেখে বাতিটিতে 2 sec সময়ে উৎপন্ন তাপের পরিমাণ নির্ণয় করা হয়।

- ক)(1)
তড়িত দ্বিমেরু কাকে বলে?
- খ)(2)
একই মানের কোষের সমান্তরাল সমবায়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ তড়িৎপ্রবাহ পাওয়ার ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ রোধ কিরূপ হওয়া প্রয়োজন? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
১ম ক্ষেত্রে চাবি খোলা অবস্থায় উৎপন্ন তাপের পরিমাণ নির্ণয় কর।
- ঘ)(4)
চাবিটি বন্ধ অবস্থায় পরিবর্তনশীল ‘T’ রোধকে কী অবস্থা অবলম্বন করলে উৎস থাকা সত্ত্বেও বাতিটি নিভে যাবে? সঠিক বর্তনী চিত্র অংকনপূর্বক গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দুটি সমান ও বিপরীতধর্মী বিন্দু আধান পরস্পর খুব কাছাকাছি বা ক্ষুদ্র দূরত্বে অবস্থান করলে তাকে তড়িৎ দ্বিমেরু বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
একই মানের সংখ্যক তড়িৎ কোষ সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত থাকলে মূল তড়িৎপ্রবাহের রাশিমালা হলো:
যেখানে হলো প্রতিটি কোষের তড়িচ্চালক বল, হলো অভ্যন্তরীণ রোধ এবং হলো বর্তনীর বহিঃরোধ।যদি বহিঃরোধ -এর মান অভ্যন্তরীণ রোধ -এর তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য হয় (অর্থাৎ বা ), তবে প্রবাহ দাঁড়ায়:
অর্থাৎ, বহিঃস্থ রোধ -এর তুলনায় কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ অনেক বেশি (উচ্চমানের) হওয়া প্রয়োজন। তখন সমান্তরাল সমবায়ে একটি কোষের তুলনায় গুণ বেশি অর্থাৎ সর্বোচ্চ তড়িৎপ্রবাহ পাওয়া যায়। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপক অনুসারে,
, , , বাতির রোধ , কোষের বিভব এবং সময় ।চাবি খোলা থাকলে রোধের শাখাটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকে।
ফলে বর্তনীটি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, উৎস থেকে বিদ্যুৎ এসে প্রথমে রোধের মধ্য দিয়ে যায়। এরপর সংযোগ বিন্দুতে বাতি () এবং সমান্তরালে যুক্ত থাকে। কিন্তু -এর অপর প্রান্ত এবং বাতির অপর প্রান্ত একত্রে যুক্ত হয়ে রোধের মধ্য দিয়ে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তে পৌঁছায়।
চিত্রানুযায়ী, খোলা থাকলে বাতি () এবং রোধ পরস্পর সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত থাকে।এদের তুল্যরোধ,
সম্পূর্ণ বর্তনীর মোট তুল্যরোধ:
বর্তনীর মূল প্রবাহ:
বাতির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎপ্রবাহ ():
বাতিটিতে সময়ে উৎপন্ন তাপের পরিমাণ:
অতএব, উৎপন্ন তাপের পরিমাণ প্রায় ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
চাবিটি বন্ধ অবস্থায় বর্তনীটি একটি হুইটস্টোন ব্রিজের রূপ ধারণ করে, যার চারটি বাহুর রোধ হলো , , এবং , এবং মাঝের বাহুতে বাতিটি () যুক্ত রয়েছে।
উৎস যুক্ত থাকা সত্ত্বেও বাতিটি নিভে যাওয়ার অর্থ হলো বাতির মধ্য দিয়ে কোনো তড়িৎ প্রবাহিত হবে না ()। এর জন্য বর্তনীটিকে হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্যাবস্থায় থাকতে হবে।
হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্যাবস্থার নীতি অনুযায়ী,
বর্তনী অনুযায়ী বাহুগুলোর রোধের অনুপাত হবে:
বা,
এখানে দেওয়া আছে,
মান বসিয়ে পাই,
অতএব, পরিবর্তনশীল রোধ -এর মান -এ স্থির রাখলে হুইটস্টোন ব্রিজটি সাম্যাবস্থায় পৌঁছাবে। ফলে বাতির দুই প্রান্তের বিভব সমান হবে এবং এর মধ্য দিয়ে কোনো তড়িৎ প্রবাহিত না হওয়ায় বাতিটি নিভে যাবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও