Combined Board ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, যশোর, বরিশাল, সিলেট বোর্ড ২০২৫

11টি প্রশ্ন

  1. 1.

    রাজিব যে সমাজে বসবাস করত সে সমাজটি নানা জাতিভেদ প্রথা ও শ্রেণিবৈষম্যে বিভক্ত ছিল। যেখানে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত এর চার শ্রেণির মানুষ বাসবাস করত। সমাজে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য ছিল প্রকট। অধিকাংশ লোক নিম্নমধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণিতে বসবাস করলেও তাদের তেমন কোনো অধিকার বা সামাজিক মর্যাদা ছিল না। প্রথম দুই শ্রেণিই সমাজের সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করত এবং তাদের হাতেই ছিল মূলতসকল ক্ষমতা।

  2. 2.

    অটোমান সিংহাসনে আরোহণ করে সুলতান সুলেমান সুসজ্জিত সামরিক বাহিনী গঠন করেন। তিনি সাম্রাজ্যের সমৃদ্ধি ও সীমান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তাসহ নানা কারণে পার্শ্ববর্তী রাজ্যসমূহে অনেকবার অভিযান পরিচালনা করেন। প্রত্যেক অভিযানে তিনি জয়লাভ করলেও স্থায়ী সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা না করে বরং বিপুল পরিমাণ ধনসম্পদ নিয়ে নিজ সাম্রাজ্যে ফিরে আসেন। এতে করে একদিকে যেমন তার সাম্রাজ্য নানাভাবে সমৃদ্ধশালী হয়, তেমন অন্যদিকে সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলো তার বশ্যতা স্বীকার করেনেয়।

  3. 3.

    দ্বাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে ভারতবর্ষের এক শাসকের সাথে পার্শ্ববর্তী মুসলিম শাসকের যুদ্ধ হলে প্রথমে মুসলিম শাসক পরাজিত হন। দ্বিতীয় বার যুদ্ধ হলে মুসলিম বাহিনীর নিকট ভারতের সম্মিলিত বাহিনী শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন। ফলে উক্ত মুসলিম শাসক ভারতবর্ষে একটি নতুন ও স্থায়ী মুসলিম রাজত্বের ভিত্তিস্থাপনের গৌরব অর্জন করেন।

  4. 4.

    সুলতান উসমান পিতার সিংহাসনে আরোহণ করে অল্প দিনের মধ্যেই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে রাজ্য ছাড়া হন। পরবর্তীতে তিনি পার্শ্ববর্তী রাজ্যসমূহের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সেখানে আক্রমণ করেন। উন্নত সমরাস্ত্রের সাহায্যে তিনি প্রতিরেশীর বিশাল সৈন্যবাহিনীকে যুদ্ধে পরাজিত করেন। অতঃপর ঐ রার্জ্যের ধ্বংসস্তূপের ওপর একটি নতুন সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করার গৌরব অর্জন করেন।

  5. 5.

    সুলতান ওরহান সামরিক ক্ষেত্রে কতগুলো সংস্কার সাধন করেন। তিনি অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনীর সমন্বয়ে স্থায়ী সামরিক বাহিনী গঠন করেন। আকিঞ্জী নামে একটি অনিয়মিত অশ্বারোহী বাহিনীও গঠন করেন। জেনিসারি নামে বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত একটি নতুন,বাহিনী গড়ে তুলেন।

  6. 6.

    সুলতানা তারুবা তার সৌন্দর্য ও বুদ্ধিমত্তার কারণে আমির দ্বিতীয় আব্দুর রহমানের প্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। হেরেম থেকে শুরু করে বিচারকার্য প্রায় সকল ক্ষেত্রেই তিনি স্ত্রীর প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন। রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে স্ত্রীর সিদ্ধান্তকেই চূড়ান্ত বলে গণ্য করতেন। সুলতানার নির্দেশেই আমির-উমরাদের পদায়ন, পদচ্যুতি এবং নিকট আত্মীয়দের উচ্চপদে অধিষ্ঠিত করা হতো। তবে শাসন ক্ষমতা স্বহস্তে গ্রহণের ইচ্ছা তার ছিল না।

  7. 7.

  8. 8.

  9. 9.

    আফ্রিকার একটি দেশ হলো সুদান। সুদানের উত্তরাঞ্চলের আয়তন দক্ষিণাঞ্চলের-চেয়ে অনেক বড় হলেও জনসংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম। এছাড়া উত্তরাঞ্চলে নদী-নালা কম থাকার কারণে ভূমি ছিল অনুর্বর এবং কোথাও কোথাও মরূময়। অন্যদিকে নদীবিধৌত দক্ষিণ সুদান ছিল উর্বর এবং খনিজ সম্পদে ভরপুর। রাষ্ট্র ক্ষমতায় উত্তর সুদানের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকায় দক্ষিণ সুদানকে অর্থনীতিসহ নানাভাবে বঞ্চিত করা হয়। পরবর্তীতে দক্ষিণ সুদান সশস্ত্র আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতার ডাক দিলে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একটি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়।

  10. 10.

    মধ্যপ্রাচ্যের ফিলিস্তিন একটি মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই দখলদার ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলের নিকট অঞ্চলটির জনগণ শোষিত ও অত্যাচারিত হয়ে আসছে। ফলে ফিলিস্তিনের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলন শুরু করে। এতে ইহুদি রাষ্ট্রটি ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী জনগণকে দমনে নারী ও শিশুসহ সাধারণ নাগরিকের উপর নৃশংসভাবে গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। এসবের পরেও ফিলিস্তিনের জনগণ তাদের স্বাধীনতা ফিরে পেতে সংগ্রাম চালিয়ে যায়।

  11. 11.

    গত শতাব্দীর মাঝামাঝিতে ভিয়েতনামের দুই অংশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধের একপর্যায়ে দক্ষিণ ভিয়েতনামের একজন সামরিক কর্মকর্তার নির্দেশে উত্তর ভিয়েতনামের একটি অংশে ঘৃণ্য ও বর্বর হর্তাকাণ্ড চালানো হয়। এ জঘন্য হত্যাকাণ্ডটি তাদেরকে বিশ্ববাসীর নিকট ঘৃণার পাত্রে পরিণত করে।