পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • আইডিয়াল কলেজ, মতিঝিল • আইডিয়াল কলেজ, মতিঝিল টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
পৌরনীতি কাকে বলে?
- খ)(2)
সুশাসন বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকের (?) চিহ্নিত স্থানের ধারণা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"সুনাগরিক হওয়ার জন্য (?) চিহ্নিত বিষয়টির পরিধি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা জরুরি"-মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নাগরিকতা বিষয়ক এবং নাগরিকের সার্বিক কল্যাণ ও কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনা করে এমন সামাজিক বিজ্ঞানকে পৌরনীতি বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সুশাসন (Good Governance) বলতে এমন এক শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যা স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এতে সরকার ও জনগণের মধ্যে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে এবং রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত হয়। ফলস্বরূপ, দুর্নীতি প্রতিরোধ করে জনগণের সার্বিক কল্যাণ সাধন সম্ভব হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে (?) চিহ্নিত স্থানটির ধারণাটি হলো 'পৌরনীতি' (Civics)।
পৌরনীতি হলো নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। উদ্দীপকের ছকে নাগরিক, নগর রাষ্ট্র ও রাষ্ট্র এবং নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য, অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ দিক এবং স্থানীয় ও জাতীয় রূপ প্রভৃতি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, যা পৌরনীতির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।
বিখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ই. এম. হোয়াইট-এর মতে, "পৌরনীতি হলো জ্ঞানের সেই মূল্যবান শাখা, যা নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।" সুতরাং উদ্দীপকের ছকটি বিশ্লেষণ করলে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, (?) চিহ্নিত স্থানে 'পৌরনীতি' বিষয়টিকেই নির্দেশ করা হয়েছে, যা নাগরিকের সার্বিক কার্যাবলি ও জীবনের সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে (?) চিহ্নিত বিষয়টি হলো 'পৌরনীতি'। সুনাগরিক হওয়ার জন্য পৌরনীতির পরিধি ও বিষয়বস্তু সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করা অপরিহার্য—উক্তিটি যথার্থ ও যৌক্তিক।
একজন সুনাগরিকের তিনটি মৌলিক গুণ থাকা আবশ্যক—বুদ্ধি, আত্মসংযম এবং বিবেক-বিচার। পৌরনীতির পরিধি অধ্যয়নের মাধ্যমে নাগরিক এ গুণগুলো অর্জন করতে সক্ষম হয়:
১. অধিকার ও কর্তব্য সচেতনতা: পৌরনীতি নাগরিকের মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্রের প্রতি তার দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত শিক্ষা দেয়। সুনাগরিক হতে হলে নিজের অধিকার ভোগের পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন অপরিহার্য।
২. রাষ্ট্র ও সমাজ সম্পর্কে জ্ঞান: রাষ্ট্র, সরকার, সংবিধান এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের গঠন ও কার্যাবলি সম্পর্কে জ্ঞানদান করে পৌরনীতি, যা একজন নাগরিককে রাজনৈতিকভাবে সচেতন করে তোলে।
৩. দেশপ্রেম ও জাতীয় চেতনার বিকাশ: পৌরনীতি জাতীয় আন্দোলনের ইতিহাস এবং নাগরিকের অতীত-বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে দেশপ্রেম জাগ্রত করে।
৪. আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি গঠন: আধুনিক যুগে নাগরিক কেবল নিজের রাষ্ট্রের নয়, বরং বিশ্ব নাগরিক। পৌরনীতি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিশ্বভ্রাতৃত্বের ধারণা দেয়, যা একজন নাগরিকের দৃষ্টিভঙ্গিকে উদার করে তোলে।
অতএব, অধিকার সচেতন, দায়িত্বশীল, বিবেকবান ও রাষ্ট্রচিন্তাসমৃদ্ধ সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পৌরনীতির পরিধি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও