গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৯
গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
নিরাপদ মাতৃত্ব কাকে বলে?
- খ)(2)
নবজাতকের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ যত্নের প্রয়োজন-ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে ? চিহ্নিত স্থানে গর্ভবতী মায়ের যে অবস্থা নির্দেশ করে সেক্ষেত্রে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে নির্দেশিত অবস্থা প্রতিরোধে গর্ভবতী মায়ের শারীরিক ও মানসিক যত্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ- উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গর্ভধারণ থেকে শুরু করে প্রসব এবং প্রসব-পরবর্তী সময়ে মা ও নবজাতকের সুস্থতা ও জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সামগ্রিক সেবাই হলো নিরাপদ মাতৃত্ব।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নবজাতক মায়ের গর্ভের সুরক্ষিত পরিবেশ থেকে সরাসরি বাইরের প্রতিকূল পরিবেশে প্রবেশ করায় তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে না পারলে নবজাতকের জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই তাকে উষ্ণ রাখা, শালদুধ খাওয়ানো, নাভির যত্ন নেওয়া এবং জীবাণুমুক্ত পরিবেশে রাখার জন্য বিশেষ যত্নের প্রয়োজন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে গর্ভবতী মায়ের 'বিপদচিহ্ন' নির্দেশ করা হয়েছে (যেমন: ভীষণ জ্বর, রক্তস্রাব, খিঁচুনি, মাথাব্যথা)।
গর্ভবতী মায়ের মধ্যে এ ধরনের কোনো বিপদচিহ্ন দেখা দিলে অবিলম্বে নিম্নলিখিত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করতে হবে:
১. কোনো ধরনের কালবিলম্ব বা ঘরোয়া চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে অবিলম্বে রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিতে হবে।
২. জরুরি যোগাযোগের জন্য আগে থেকেই ঠিক করা যানবাহন প্রস্তুত রাখতে হবে।
৩. রক্তস্রাবের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য রক্তদাতার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৪. রোগীকে মানসিকভাবে শান্ত ও আশ্বস্ত রাখতে হবে এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ দেওয়া যাবে না।
৫. গর্ভকালীন পূর্বের সমস্ত ডাক্তারি কাগজপত্র ও রিপোর্ট সঙ্গে রাখতে হবে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে নির্দেশিত অবস্থাটি হলো গর্ভকালীন বিপদচিহ্ন বা গর্ভকালীন জটিলতা। এই জটিলতাসমূহ প্রতিরোধে গর্ভবতী মায়ের শারীরিক ও মানসিক যত্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. সুষম পুষ্টি ও শারীরিক যত্ন: গর্ভাবস্থায় পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ফলিক অ্যাসিড নিশ্চিত করলে রক্তশূন্যতা বা অপুষ্টিজনিত জটিলতা কমে। নিয়মিত হাত-পা ফোলা পরীক্ষা ও রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ করলে খিঁচুনি বা এক্লাম্পসিয়ার মতো মারাত্মক সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়।
২. বিশ্রাম ও শারীরিক পরিচ্ছন্নতা: অতিরিক্ত ভারী কাজ এড়িয়ে চলা এবং দৈনিক পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম শারীরিক ক্লান্তি ও চাপ দূর করে।
৩. মানসিক শান্তি ও পারিবারিক সমর্থন: গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে হতাশা ও উদ্বেগ দেখা দিতে পারে, যা উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি করতে পারে। পরিবারের ভালোবাসা, সমর্থন ও আনন্দময় পরিবেশ মাকে চাপমুক্ত রাখে এবং প্রসবকালীন জটিলতা কমাতে সাহায্য করে।
৪. নিয়মিত প্রসব-পূর্ব পরীক্ষা (ANC): নিয়মিত শারীরিক চেক-আপের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ, রক্তস্বল্পতা বা অন্য কোনো শারীরিক ঝুঁকি আগেভাগেই শনাক্ত ও সমাধান করা সম্ভব হয়।
সুতরাং, উপযুক্ত শারীরিক ও মানসিক যত্নের মাধ্যমেই গর্ভকালীন বিপদচিহ্নগুলো প্রতিরোধ করা এবং একটি সুস্থ সন্তানের জন্মদান নিশ্চিত করা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও