সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল বোর্ড ২০১৮

সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

১৮৩৯ সালে ফ্রান্সে একটি সামাজিক বিজ্ঞানের জন্ম হলেও বাংলাদেশে ১৯৫৭ সালে বিকাশ লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে এটি সম্ভব হয়। আর সেজন্য তাঁকে এ বিজ্ঞানটির বাংলাদেশের জনক বলে অভিহিত করা হয়। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ সামাজিক বিজ্ঞানটির অধ্যয়ন অত্যন্ত জরুরি।

  1. ক)

    "The Positive Philosophy' গ্রন্থটি কার লেখা?

    (1)
  2. খ)

    নবান্ন উৎসব কী? বুঝিয়ে লেখো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে নির্দেশিত বিজ্ঞানটির পঠন-পাঠন অত্যন্ত জরুরি— মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'The Positive Philosophy' গ্রন্থটি সমাজবিজ্ঞানের জনক অগাস্ট কোঁৎ (Auguste Comte)-এর লেখা।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নবান্ন উৎসব হলো বাংলার ঐতিহ্যবাহী শস্যোৎসব। প্রতি বছর অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটার পর নতুন চাল দিয়ে পিঠাপুলি, পায়েস ও নতুন অন্ন তৈরি করে এ উৎসব উদ্‌যাপিত হয়। এটি বাঙালি সংস্কৃতির একটি অন্যতম লোকজ উৎসব, যা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মিলনমেলা ও আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের জনক অধ্যাপক ড. এ. কে. নাজমুল করিমের (A. K. Nazmul Karim) কথা বলা হয়েছে।

    ১৮৩৯ সালে ফরাসি দার্শনিক অগাস্ট কোঁতের হাত ধরে ফ্রান্সে সমাজবিজ্ঞানের জন্ম হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে সমাজবিজ্ঞান অধ্যয়নের সূচনা ঘটে ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র বিভাগ খোলার মাধ্যমে।

    অধ্যাপক নাজমুল করিম ইউনেস্কোর সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি স্থাপন এবং এ বিষয়ে গবেষণায় তাঁর অনন্য অবদানের জন্যই তাঁকে বাংলাদেশে 'সমাজবিজ্ঞানের জনক' বলা হয়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে সমাজবিজ্ঞান পাঠ অত্যন্ত জরুরি— এ বক্তব্যটি যথার্থ ও প্রণিধানযোগ্য।

    সমাজবিজ্ঞান হলো সমাজের সামগ্রিক রূপ, মানুষের সামাজিক সম্পর্ক, আচার-আচরণ এবং সামাজিক সমস্যাবলি নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত পর্যালোচনা। একটি দেশকে সুখী ও সমৃদ্ধ করতে হলে তার সামাজিক বাস্তবতা, জনমিতি, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

    সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে দারিদ্র্য, বেকারত্ব, জনসংখ্যা সমস্যা, বাল্যবিয়ে, নিরক্ষরতা ও অপরাধপ্রবণতার মতো বহুমুখী সামাজিক সমস্যার কারণ অনুসন্ধান ও সমাধান নির্দেশ করা সম্ভব হয়। এছাড়া সামাজিক পরিবর্তনের গতি-প্রকৃতি নির্ধারণ, উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ বিজ্ঞানের জ্ঞান অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

    পরিকল্পিত ও সুষম জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান অপরিহার্য। তাই একটি উন্নত, সুখী ও সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ বিনির্মাণে সমাজবিজ্ঞানের পঠন-পাঠন অত্যন্ত জরুরি।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন