ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র • স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় • Combined Board • দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র প্রশ্ন

“মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করিমোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরিমোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি।"

  1. ক)

    মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ খেতাব কোনটি?

    (1)
  2. খ)

    মুক্তিযোদ্ধারা কেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন ফুলকে বাঁচানোর কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মত্যাগের তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীরত্বসূচক সর্বোচ্চ খেতাব হলো 'বীরশ্রেষ্ঠ'।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের জীবন, পরিবার ও ভবিষ্যৎ বিসর্জন দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ছিনিয়ে এনেছিলেন বলেই তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে যুদ্ধ করে একটি স্বাধীন ভূখণ্ড ও লাল-সবুজের পতাকা উপহার দিয়েছিলেন তারা। তাঁদের এই নিঃস্বার্থ দেশপ্রেম ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের তুলনা হয় না, তাই জাতি চিরকাল তাঁদের শ্রেষ্ঠ সন্তানের মর্যাদায় ভূষিত করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'ফুল' বলতে রূপক অর্থে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে বোঝানো হয়েছে।

    ফুল যেমন সুন্দর, নিষ্পাপ এবং ভালোবাসার প্রতীক, তেমনি আমাদের দেশ বাংলাদেশও এক অপরূপ সম্ভাবনাময় ও শান্তির নীড় ছিল। কিন্তু ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশের মানুষের ওপর নির্মম গণহত্যা চালিয়ে দেশটিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।

    উদ্দীপকের গানের চরণে 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' কথাটির মাধ্যমে মূলত ধ্বংসোন্মুখ প্রিয় জন্মভূমি ও তার মুক্তিকামী মানুষকে পাকিস্তানি হানাদারদের হাত থেকে রক্ষা করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার সংকল্প প্রকাশ করা হয়েছে। তাই এখানে ফুল বলতে মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশকে নির্দেশ করা হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ বাঙালি জাতির অস্তিত্ব ও সার্বভৌমত্বের মূল ভিত্তি।

    ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর নারকীয় তাণ্ডবের মুখে বাঙালি বীর মুক্তিযোদ্ধারা অসীম সাহসিকতা নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দীর্ঘ নয় মাস তারা আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা ও সম্মুখ যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। ৩০ লাখ শহিদের রক্ত এবং লক্ষ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধার সীমাহীন ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।

    মুক্তিযোদ্ধাদের এই আত্মত্যাগের ফলেই বাঙালি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে একটি স্বাধীন দেশ, একটি জাতীয় পতাকা এবং বিশ্বদরবারে নিজস্ব পরিচয় লাভ করে। তাঁদের এই আত্মত্যাগ শুধু একটি ভূখণ্ডই এনে দেয়নি, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার পথ উন্মুক্ত করেছে। সুতরাং, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ বাঙালি জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল ও চিরভাস্বর অধ্যায়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন