পরিসংখ্যান ১ম পত্র • Combined Board • রাজশাহী, যশোর, বরিশাল, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩
পরিসংখ্যান ১ম পত্র প্রশ্ন
বাংলাদেশ পৃথিবীর জনবহুল দেশ। জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সরকারি, আধা-সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজন।
- ক)(1)
BBS-এর পূর্ণরূপ কী ?
- খ)(2)
বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর ।
- গ)(3)
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে কতিপয় সুপারিশ প্রণয়ন কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
BBS-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Bureau of Statistics (বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে দেশের আর্থিক, মুদ্রানীতি ও ব্যাংকিং সংক্রান্ত যাবতীয় পরিসংখ্যান সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে।
এটি নিয়মিতভাবে দেশের অর্থ সরবরাহ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, মুদ্রাস্ফীতি, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য, বৈদেশিক বিনিময় হার ও ব্যালেন্স অব পেমেন্টস সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান তৈরি করে। এসব তথ্য দেশের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ, বাজেট প্রণয়ন এবং পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের মান ও উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে নিম্নরূপ সুপারিশ প্রণয়ন করা যেতে পারে:
১. দক্ষ জনবল তৈরি: আধুনিক পরিসংখ্যান ও তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত জনবল নিয়োগ ও বিদ্যমান কর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
২. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার: তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও বিশ্লেষণে ম্যানুয়াল পদ্ধতির পরিবর্তে আধুনিক সফটওয়্যার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল ডেটাবেইসের ব্যবহার বৃদ্ধি করা।
৩. নির্ভুল ও পক্ষপাতহীন তথ্য সংগ্রহ: মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের সময় কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা যাতে ত্রুটি ও তথ্য বিকৃতি কমানো যায়।
৪. দ্রুত প্রকাশনা: দীর্ঘসূত্রিতা পরিহার করে যথাসময়ে তথ্য প্রকাশ করা যাতে নীতিনির্ধারকরা তা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন।
৫. সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধি: বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় সাধন করা যাতে তথ্যের পুনরাবৃত্তি ও অমিল দূর হয়। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা নিচে তুলে ধরা হলো:
১. সংজ্ঞা ও উদ্দেশ্য: সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা কর্তৃক জাতীয় নীতি প্রণয়ন, পরিকল্পনা গ্রহণ ও প্রশাসনিক কাজের জন্য সংগৃহীত তথ্যই সরকারি পরিসংখ্যান। পক্ষান্তরে, কোনো ব্যক্তি, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব গবেষণা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থে যে পরিসংখ্যান সংগ্রহ করে তা বেসরকারি পরিসংখ্যান।
২. নির্ভরযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা: সরকারি পরিসংখ্যান রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে তৈরি হয় বিধায় এর আইনি ভিত্তি ও গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। বেসরকারি পরিসংখ্যানের বিশ্বাসযোগ্যতা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা ও সততার ওপর নির্ভর করে।
৩. তথ্যের পরিধি: সরকারি পরিসংখ্যানের পরিধি সমগ্র দেশব্যাপী বিস্তৃত (যেমন: আদমশুমারি, কৃষি শুমারি)। বেসরকারি পরিসংখ্যান সাধারণত নির্দিষ্ট অঞ্চল বা ক্ষুদ্র কোনো বিষয়ের ওপর পরিচালিত হয়।
৪. ব্যয় ও সম্পদ: সরকারি পরিসংখ্যানে রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও লোকবল নিয়োজিত থাকে। কিন্তু বেসরকারি ক্ষেত্রে সীমিত বাজেট ও নির্দিষ্ট গবেষক দলের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন হয়।
৫. প্রাপ্যতা ও প্রকাশনা: সরকারি পরিসংখ্যান সরকারি গেজেট ও ওয়েবসাইটে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে, কিন্তু অনেক বেসরকারি পরিসংখ্যান বাণিজ্যিক বা অভ্যন্তরীণ হওয়ায় সবার জন্য সহজে উন্মুক্ত নাও হতে পারে।পরিশেষে, জাতীয় উন্নয়নে উভয় ধরনের পরিসংখ্যানই গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরকারি পরিসংখ্যান জাতীয় নীতিনির্ধারণের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও