‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা • মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

রহিমা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে। মজুরি কম হওয়ায় তার সংসারে অভাব লেগেই থাকে। তাছাড়া উক্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরির কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় প্রতিনিয়ত সে চাকরি চলে যাওয়ার আতঙ্কে থাকে।

  1. ক)

    সাম্য কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    আইনের শাসন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত হালিমার ঘটনা কোন ধরনের স্বাধীনতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    "উক্ত স্বাধীনতা ব্যতীত রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন।"- বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সুযোগ-সুবিধার এমন সমতাকে সাম্য বলে, যার মাধ্যমে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ সমানভাবে নিজ প্রতিভা বিকাশের সুযোগ লাভ করে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আইনের শাসন বলতে আইনের চোখে সবার সমান অধিকার এবং বিনা বিচারে বা আইনসম্মত পন্থা ছাড়া কাউকে শাস্তি না দেওয়ার নীতিকে বোঝায়। এতে আইনের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত থাকে এবং শাসক-শাসিত নির্বিশেষে সকলেই আইনের অধীন থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত রহিমা (প্রশ্নে ভুলবশত হালিমা উল্লিখিত)-এর ঘটনাটি অর্থনৈতিক স্বাধীনতার অভাবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

    অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলতে প্রতিটি নাগরিকের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান লাভ, উপযুক্ত পারিশ্রমিক প্রাপ্তি, দারিদ্র্য ও বেকারত্ব থেকে মুক্তি এবং কর্মক্ষেত্রে স্থায়িত্বের নিরাপত্তাকে বোঝায়।

    উদ্দীপকের রহিমা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করলেও স্বল্প মজুরির কারণে দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করছে। তদুপরি চাকরির সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় সে চাকরিচ্যুতির ভয়ে থাকে, যা অর্থনৈতিক নিরাপত্তার চরম অভাব নির্দেশ করে। এ ধরনের অনিশ্চয়তা ও শোষণ অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ঘাটতিকেই প্রতিফলিত করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    "অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ব্যতীত রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন"—উক্তিটি যথার্থ ও সর্বজনস্বীকৃত।

    রাজনৈতিক স্বাধীনতা হলো ভোটদান, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা, সরকার গঠন ও সমালোচনা করার অধিকার। কিন্তু নাগরিক যদি অর্থনৈতিকভাবে অভাবগ্রস্ত, ক্ষুধার্ত ও নিরাপত্তাহীন থাকে, তবে সে তার রাজনৈতিক অধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারে না।

    উদ্দীপকের রহিমা যদি নিত্যদিনের ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও চাকরি হারানোর ভয়ে জর্জরিত থাকে, তবে তার পক্ষে ভোটাধিকার বা স্বাধীন রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করা প্রায় অসম্ভব। একজন চরম দরিদ্র নাগরিককে অর্থ বা সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে ভোট কেনা বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা সহজ হয়, যা গণতন্ত্রকে ব্যাহত করে।

    অধ্যাপক লাস্কির মতে, অর্থনৈতিক সমতা ও নিরাপত্তা ছাড়া রাজনৈতিক স্বাধীনতা উপহাস মাত্র। তাই রহিমা বা যেকোনো নাগরিকের পক্ষে স্বাধীনভাবে রাজনৈতিক ক্ষমতা উপভোগের জন্য অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা বা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা থাকা অপরিহার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন