পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
'AIDS' কী?
- খ)(2)
জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে ”?” চিহ্নিত নাগরিক সমস্যার সাথে তোমার পঠিত যে নাগরিক্ সমস্যার সাদৃশ্য আছে তার কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত নাগরিক সমস্যার নিরসনে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়? তোমার মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
AIDS-এর পূর্ণরূপ হলো Acquired Immuno Deficiency Syndrome; এটি HIV (Human Immunodeficiency Virus) নামক ভাইরাসের সংক্রমণে সৃষ্ট একটি মরণব্যাধি যা মানুষের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল বা সামগ্রিক পৃথিবীর গড় আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি (সাধারণত ৩০-৩৫ বছর বা তার বেশি সময়ের) উল্লেখযোগ্য ও স্থায়ী পরিবর্তনকে জলবায়ু পরিবর্তন বলে।
প্রাকৃতিক কারণ এবং প্রধানত মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড (যেমন—জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, বন উজাড় ইত্যাদি)-এর ফলে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ে, যা চরম আবহাওয়া, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও ঋতুচক্রের বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে নির্দেশিত নাগরিক সমস্যাটি হলো 'খাদ্যে ভেজাল'।
উদ্দীপকের ছকে 'অর্থলিপ্সা ও স্বার্থসিদ্ধির চিন্তা', 'ক্যালসিয়াম কার্বাইড' এবং 'ক্ষতিকর সুগন্ধি' উপাদানগুলো উল্লেখ করা হয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা অর্জনের লোভে ফল পাকাতে বিষাক্ত ক্যালসিয়াম কার্বাইড এবং পচা বা নিম্নমানের খাদ্যে আকর্ষণ বাড়াতে ক্ষতিকর সুগন্ধি ও রাসায়নিক মিশিয়ে থাকে।
আমাদের পাঠ্যবইয়ে আলোচিত নাগরিক সমস্যাগুলোর মধ্যে 'খাদ্যে ভেজাল' অন্যতম মারাত্মক একটি সমস্যা। খাদ্যে কোনো অননুমোদিত বা ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশানো অথবা খাদ্যের মান নষ্ট করাই হলো খাদ্যে ভেজাল। উদ্দীপকের উপাদানগুলো সরাসরি খাদ্যে ভেজাল দেওয়ার কারণ ও মাধ্যমকে নির্দেশ করে। সুতরাং, উদ্দীপকের নির্দেশিত নাগরিক সমস্যাটির সাথে পাঠ্যবইয়ের 'খাদ্যে ভেজাল' সমস্যার পূর্ণ সাদৃশ্য রয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত নাগরিক সমস্যাটি হলো 'খাদ্যে ভেজাল'। জনস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় খাদ্যে ভেজাল নিরসনে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা উচিত:
১. আইনের কঠোর প্রয়োগ: নিরাপদ খাদ্য আইন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের যথাযথ ও কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ভেজালকারীদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।
২. নিয়মিত ও কঠোর মনিটরিং: ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) ও সংশ্লিষ্ট নজরদারি সংস্থাগুলোর মাধ্যমে হাট-বাজার, উৎপাদন কারখানা এবং গুদামগুলোতে নিয়মিত অভিযান জোরদার করা।
৩. রাসায়নিকের অবাধ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ: ফল পাকানো বা সংরক্ষণে ব্যবহৃত ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ফরমালিনসহ অন্যান্য বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের খোলাবাজারে বিক্রি ও আমদানি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা।
৪. গণসচেতনতা সৃষ্টি: ভেজাল খাদ্যের ভয়াবহ কুফল সম্পর্কে টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে ভোক্তা ও বিক্রেতা উভয়কেই সচেতন করা।
৫. আধুনিক পরীক্ষাগার স্থাপন: খাদ্যের গুণগত মান দ্রুত যাচাইয়ের জন্য দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় আধুনিক খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপন করা।
৬. ব্যবসায়ীদের নৈতিকতাবোধ জাগ্রত করা: ব্যবসায়ী মহলে সততা ও ব্যবসায়িক নীতিবোধ প্রসারে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা।পরিশেষে বলা যায়, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং নাগরিকদের সার্বিক সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমেই খাদ্যে ভেজালের মতো মারাত্মক নাগরিক সমস্যা নিরসন করা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও